Main Menu

চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির আভাস

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। তীব্র গরমের মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

Manual2 Ad Code

শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা গেছে।

Manual4 Ad Code

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাজশাহী, দিনাজপুর, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঢাকা ও বরিশাল বিভাগসহ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ফেনী জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল দিনাজপুরে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় শুক্রবার সকাল থেকে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬-১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। এদিন সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

Manual6 Ad Code

বৃষ্টি কবে নাগাদ হতে পারে জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কয়েকটি অঞ্চলে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।

তিনি আরও জানান, মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হওয়ার পরপরই বৃষ্টি হতে পারে। দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটে মূলত টেকনাফ অঞ্চল দিয়ে। সাধারণতো ৩১ মে থেকে টেকনাফ, ১ জুন কক্সবাজার, ২ জুন চট্টগ্রাম ও ৪ থেকে ৫ জুন দেশের মধ্যাঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ করে। এই সময়ের কিছু হেরফের হয় বটে। এবারও হয়েছে। টেকনাফ অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটতে আরও তিন-চার দিন দেরি হতে পারে। এরপর দেশের অন্যত্র তা প্রবেশ করবে। তারপরই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code