সিলেটে এমএজি ওসমানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর হযরত শাহজালাল রহ. মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেছেন জাতীয় জনতা পার্টির নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় জনতা পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের পক্ষে তার পুত্র জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে মাজার মসজিদে এমএজি ওসমানীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মাজার জিয়ারত ও মিলাদ মাহফিলে জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কমিটির সহ সভাপতি সাবেক সেনা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, সিলেট জেলা কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি প্রফেসর এম এ মুহিত, সহ সভাপতি সেলিম আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকলিছ আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বকুল, দপ্তর সম্পাদক বাবু কিরণ দেবনাথ, মহানগর কমিটির সভাপতি সাবের সফকত জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক এম এ রহিম, জাহিদ নুর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনতা পার্টির জাতীয় কার্যালয় ঢাকাস্থ জনতা ভবনে নানা কর্মসূচির মধ্যেমে এম এ জি ওসমানীর মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হবে।
জাতীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, এম এ জি ওসমানীর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় জনতা পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে আমার পিতা এখনো এম এ জি ওসমানীর আদর্শে উজ্জীবীত হয়েই পার্টির হাল ধরে আছেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ থাকায় আমি তিনির গুরুদায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এমএজি ওসমানী একজন সমর নায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন পূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যমে শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ে এবং স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগড়ায় পৌঁছে দিয়ে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি একটি গণনীতি ও সংবিধান তৈরির মাধ্যমে জাতীয় জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশকার দেশকার জনতার জনতার, জনতার এই দেশ জনতাকে ফিরিয়ে দাও। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। আসুন আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ জাতীর উন্নয়নে এগিয়ে আসি।
তিনি দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও তেল গ্যাস, বিদ্যুৎ এর মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় রাখতে বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানান। বিজ্ঞপ্তি
Related News
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির বিবৃতি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরভবনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেRead More
গণতন্ত্র পেয়েছি, রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশেRead More



Comments are Closed