Main Menu

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প, অন্ধকারে ৫শ’ পরিবার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন আছে, খুঁটি আছে তবে নেই শুধু আলো। সুনামগঞ্জের শাল্লাা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের শাসখাই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বন্যায় ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিদ্যুতের সংযোগ লাইন ও খুঁটি। বন্যার আগে কোনরকমে ২-৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেলেও বন্যার কবলে পরে এই প্রকল্পটি কোন কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। এতে শাসখাই, মৌরাপুর, আগুয়াই, দত্তপাড়া ও বিলপুর এই পাঁচটি গ্রামের লোকজন একেবারে অন্ধকারেই জীবনযাপন করছেন বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও বন মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রহিম আফরোজের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ৪০০ কিঃও প্রায় ৩২ কোটি টাকার এই বিদুৎ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে। তারপর ২০১৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু এত টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বিদুৎ পেয়েও সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে গ্রাহকদের। ঠিকমতো বিল না নেওয়ায় গ্রাহকদের কাছে জমা হচ্ছে মোটা অংকের বিল।

সরেজমিনে দেখা যায় এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান কিন্তু দেখভাল করার জন্য মাত্র একজন লোক রয়েছেন। তাও আবার ঠিকমতো দেখাশোনা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রকল্পের ভেতরে গরুছাগল বসবাস করছে, খুঁটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, কোন জায়গায় খুঁটির লাইন পানির নিচে উপচে পড়ে রয়েছে, কোন জায়গায় মানুষের মাথায় স্পর্শ করছে বিদ্যুতের লাইন। ব্যবসায়িরা ভেবেছিল বিদ্যুৎ পেয়ে ব্যবসায় প্রসার ঘটাবে কিন্তু এই এলাকাবাসীর কপালে ঘটেছে এর উল্টো।

গ্রাহকরা এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন তারা বিল দিতে ইচ্ছুক থাকা সত্বেও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে ঠিকমতো বিল নিতে আসেননি।

এদিকে পল্লীী বিদ্যুতের খুঁটিও টাঙ্গানো হয়েছে এই পাঁচ গ্রামের এরিয়াতে কিন্তু দুঃখের বিষয় পল্লীী বিদ্যুতের সংযোগও পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। কেন সংযোগ পাচ্ছে না কেনই বা এপ্রকল্পটি মেরামত করে সংযোগ দিচ্ছে না এসবের কোনকিছুরই সদুত্তর দিতে পারেননি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

পূনরায় প্রকল্পটি মেরামত করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রকল্পটির দায়িত্বে থাকা পিডিবির দিরাই আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ রুবেল রানা বলেন মেরামত করা হবে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ লোক দিয়েছিল আমার এক্সচেঞ্জ স্যার সহ আমি নিজে সেখানে গিয়েছিলাম। আগে আমাদের বকেয়া বিল দেওয়া হউক পরে দেখা যাবে কি করা যায়।

Share





Related News

Comments are Closed