Main Menu

সিসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীতে মশার উপদ্রবে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। মশার উপদ্রবে ডেঙ্গু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে নগরবাসীর মনে। এবারের শীত মৌসুমে মশার উপদ্রবে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বাভাবিক কাজকর্ম করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন নগরবাসী। তারা বলছেন, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় না। আবার মাঝে মাঝে যে মশক নিধন স্প্রে করা হয় তাও কার্যকর নয়। একই সঙ্গে নগরবাসীর মধ্যে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর ২০২১) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। সিসিকের ১ নম্বর ওয়ার্ডে দরগা এলাকা থেকে কর্মসূচী শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ২৭ টি ওয়ার্ডে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল করতে সিলেট মহানগরবাসির সহযোগিতা প্রয়োজন। মেয়র বলেন, সিসিকের কর্মীরা নির্দিষ্ট স্থান থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে থাকেন। সম্মানীত নাগরিকরা নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেললে নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ আরো দ্রুত সময়ে করা সম্ভব হবে।

Manual4 Ad Code

কোন অবস্থাতেই বাসা-বাড়ির আশ পাশের খোলা স্থান, ড্রেন বা ছড়ায় আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসির প্রতি আহবান জানিয়ে সিসিক মেয়র বলেন, মশক নিধন অভিযানে ফগার মেশিন ও স্প্রে দ্বারা ঔষধ ছিটানো হচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গু মশার উৎস অনুসন্ধান ও নিধনে নাগরিকদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ ডেঙ্গু বাসা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন স্থানে বংশ বিস্তার করে। যেমন, খাটের নিচে জমে থাকা পানিতে, এসির পানি, ফুলের টব, ডাব বা নারকেলের খোসা, বাসার ছাদে জমে থাকা পরিস্কার পানিতে ডেঙ্গু বংশ বিস্তার করে। ফলে এসব স্থান নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

ডেঙ্গুর উৎসের সন্ধান পেলে দ্রুত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানোর আহবান জানিয়েছেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

সকালে উদ্বোধনের পর পরই নগরীর ১নং ওয়ার্ডের দরগা গেইট এলাকায় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নিজ হাতে বিভিন্ন দোকানের টানানো ফুটপাতের উপর ব্যানার সমূহ অপসারণ করেন।

Manual4 Ad Code

নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের কুমারপাড়ার বাসিন্দা গৃহবধূ আসমা বেগম বলেন, বিকেল হতেই বাসায় মশার উপদ্রব শুরু হয়। মশারি টানিয়েও রেহাই পাওয়া যায় না। আবার কয়েলের ধোঁয়া সহ্য হয় না। তাই কয়েলও ব্যবহার করা যায় না। সিসিকের পক্ষ থেকে যে ওষুধ স্প্রে করা হয় তাতেও তো মশা মরে না, খালি ধোঁয়া হয়। এভাবে না করে মশা মারার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ আমরা ঘরেও বসতে পারি না। বাচ্চারা পড়তে পারে না।

Manual2 Ad Code

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুদিন আগে থেকে সিসিকের পক্ষ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই দুদিন অফিস ও আদালতের মশক নিধন করা হয়। আর শনিবার (৪ ডিসেম্বর) থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মহানগরীতে দুমাস চলবে মশক নিধন কার্যক্রম।

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code