Main Menu

সৌদিআরবে মাধবপুরের নারীকে খুনের অভিযোগ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবে টুনি বেগম (৩১) নামে হবিগঞ্জের মাধবপুরের এক নারীকে খুনের দাবি করে তার বোন থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে প্রবাসীসহ চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বৃহস্পতিবার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

টুনি বেগম উপজেলার বহরা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের মেয়ে।

টুনির বোন সায়েরা খাতুন জানান, গত ১১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার হরষপুর গ্রামের হাছন আলী ও দুলাল মিয়া নামের দুই দালালের মাধ্যমে তার বোন সৌদি আরব যান। দালালের সঙ্গে চুক্তি ছিল বাসায় কাজ দেয়ার। কিন্ত সেখানে যাওয়ার পরে তাকে কথা মতো কাজ দেয়নি। স্থানীয় বাংলাদেশী এক যুবকের মাধ্যমে তাকে দেহ ব্যবসা করানো হতো। বিষয়টি টুনি মুঠোফোনে পরিবারকে জানিয়েছেন।

সায়েরা খাতুন বলেন, হঠাৎ করে গত ১২ সেপ্টেম্বর সৌদি-আরব থেকে তানিয়া নামের একজন মহিলা ও অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ইন্টারনেট নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে বলে টুনি খুন হয়েছে। পুলিশ খুনের ঘটনায় বাংলাদেশের দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে। এরপর থেকে তার মোবাইলে আমারা যোগাযোগ করে টুনিকে পাইনি। তারা খবর পেয়েছেন আটককৃত দুই ব্যক্তি তাদের গ্রামেরই। তাদের পরিবারও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টুনির পরিবারকে।

সায়েরা খাতুন বলেন, দুই ব্যক্তি সৌদি আরবে আটক হয়েছে শুনে অভিযোগে তাদের নাম উল্লেখ করেছি।

টুনির ভাই আব্দুল হান্নান বলেন, টুনির খুনের কয়েক দিন পূর্বে টুনির স্বামী টুক্কু মিয়ার দুই মামা রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আক্কাছ আলী ও সাবন আলী আমাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে একটি সালিশে বসায়। সে সালিশে আমাকে বোনের ডিভোর্সের বিষয়ে নানা হুমকি দেন। এবং ওই সালিশে বোন টুনি বেগম তার স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার অপরাধে আমাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আমি বিষয়টি বোনকে জানালে তিনি দিতে রাজি হয়েছেন। এর কদিন পরেই শুনি বোনকে হত্যা করা হয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কয়েক দিন আগে এবিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed