Main Menu

৪ ঘন্টার ব্যবধানে শিক্ষক পিতা ও চিকিৎসক ছেলের মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ওরফে দিলু মাস্টার। বাবার মৃত্যুর শোকে চার ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে মো. রুবেল মিয়াও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

রোববার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় মারা যান বাবা ও একই রাত আড়াইটায় মৃত্যুবরণ করেন ছেলে রুবল মিয়া। সংবাদটি জানাজানি হলে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিলু মাস্টার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে ছেলে রুবেল মিয়া পিতাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রবিবার রাতে পিতার মৃত্যু হলে রাত আড়াইটায় অ্যাম্বুলেন্স করে পিতার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন ছেলে রুবেল মিয়া। বাড়িতে আসার পর অতিশোকে কান্নাকাটি করতে করতে চার ঘণ্টা পর তিনিও অজ্ঞান হয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ পরেও আর জ্ঞান ফেরেনি। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে। ততক্ষণে ছেলে রুবেল মিয়া চলে যান না ফেরার দেশে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও এনজিও কর্মকর্তা ইকবাল আহমেদ বলেন, দিলু স্যার ভাদগুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সহিত শিক্ষকতা করেছেন। ছোট বেলায় প্রাইভেট পড়েছি স্যারের কাছে। তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। এক কথায় সাদা মনের মানুষ।

স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম ফজল বলেন, রোববার দিলু মাস্টার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাকে নিয়ে ছেলে রুবেল মিয়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় তিনি মারা যান। রাতেই অ্যাম্বুলেন্সে করে পিতার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন ছেলে রুবেল মিয়া। বাড়ি ফেরার পর অতিশোকে কান্নাকাটি করতে করতে তিনিও অজ্ঞান হয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ পরেও আর জ্ঞান ফিরেনি। ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে। ততক্ষণে ছেলে রুবেল মিয়াও চলে যান না ফেরার দেশে।

তিনি বলেন, বাবা-ছেলের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুর ২টায় তাদের নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে বলেও জানান ইউপি চেয়ারম্যান।

Share





Related News

Comments are Closed