Main Menu

জুমার নামাজের সময় গুলিতে নিহত ১৭

Manual2 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাইজারে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বরাতে জানা যায়, শুক্রবার (২০ আগস্ট) এ হামলা হয়।

Manual1 Ad Code

মেয়র হালিদো জিবো রয়টার্সকে শনিবার (২১ আগস্ট) বলেছেন, নামাজের সময় কিছু বন্দুকধারী এসে তিল্লাবেরির থিম গ্রামে হামলা চালায়। সূত্র জানায়, এই হামলায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এর আগে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে সন্ত্রাসবাদী হামলায় অন্তত ৩৭ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়। তিল্লাবেরি প্রদেশেই ঘটে এ ঘটনা।

Manual6 Ad Code

এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ১৩ শিশু, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৭ র মধ্যে। কে বা কারা এই ঘটনার পেছনে দায়ী তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে একদল অস্ত্রধারী হঠাৎ তাদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায়। নিহতদের মধ্যে অনেকেই মহিলা।

এর আগে টনকিউইন্ডি শহরের মেয়র কারিদজো হামাদো বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) পশ্চিম নাইজারের তিল্লাবেরি অঞ্চলের ডাঙ্গা জানে গ্রামে ও এর আশপাশে ঢুকে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। তবে এই হামলার পেছনে কারা দায়ী সে ব্যাপারে কোনও তথ্য দেননি তিনি।

হামাদো বলেছেন, ওই গ্রামে তিনজনকে এবং অন্যদের পাশের মাঠে হত্যা করেছেন বন্দুকধারীরা। প্রতিবেশী দেশ মালি এবং বুরকিনা ফাসোর মতো প্রায়ই আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যে পরিণত হচ্ছে নাইজার।

পশ্চিম আফ্রিকার যুদ্ধপীড়িত অঞ্চল সাহেলে জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন সত্ত্বেও প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

শনিবার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, ইজারের মালি সীমান্ত লাগোয়া একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের পাশের একটি শহরের মেয়র রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

টনকিউইন্ডি শহরের মেয়র কারিদজো হামাদো বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) পশ্চিম নাইজারের তিল্লাবেরি অঞ্চলের ডাঙ্গা জানে গ্রামে ও এর আশপাশে ঢুকে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। তবে এই হামলার পেছনে কারা দায়ী সে ব্যাপারে কোনও তথ্য দেননি তিনি।

Manual1 Ad Code

হামাদো বলেছেন, ওই গ্রামে তিনজনকে এবং অন্যদের পাশের মাঠে হত্যা করেছেন বন্দুকধারীরা। প্রতিবেশী দেশ মালি এবং বুরকিনা ফাসোর মতো প্রায়ই আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যে পরিণত হচ্ছে নাইজার।

পশ্চিম আফ্রিকার যুদ্ধপীড়িত অঞ্চল সাহেলে জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন সত্ত্বেও প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code