Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আরো ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭         সিলেটে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, বৃদ্ধ খুন         নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ         জৈন্তাপুরে হিন্দু-বৈদ্য খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ         বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতৃবৃন্দের মধ্যে ফরম বিতরন         বিশ্বনাথে সাইফুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল         ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু        

আয়তন বাড়লো সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট সিটি কর্পোরেশন বর্ধিতকরণ চূড়ান্ত হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) আহ্বায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সোমবার (২৬ জুলাই) নিকার সভা হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, নিকার বৈঠকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিতকরণ প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এখন সিসিকের অন্তর্ভুক্ত এলাকাসমূহকে ওয়ার্ডে বিন্যাস করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কাজ শেষে গেজেট প্রকাশ হবে। এরপরই মূলত এটি কার্যকর হবে।

এর আগে ২০০২ সালে সিলেট পৌরসভা থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। প্রাথমিকভাবে ২৬.৫ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে যাত্রা শুরু করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

মূলত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়তন বাড়ানোর প্রক্রিয়া ২০১৪ সালে শুরু করেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ২০১৪ সালের ২২ জুলাই স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে এ আবেদন করেন মেয়র আরিফ।

একই বছরের আগস্ট সিনিয়র সহকারী সচিব সরুজ কুমার নাথ সীমানা পরিবর্তন, সম্প্রসারণ এবং সংকোচন বিধি অনুযায়ী তথ্যাদি উল্লেখসহ পুনঃপ্রস্তাব প্রেরণের অনুরোধ করেন।

এরপর ২০১৫ সালের ২৩ জুন নগরীর বর্তমান আকারের প্রায় ছয়গুণ আয়তন বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব জমা দেয়া হয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে।

২০২০ সালের ১০ আগস্ট সিলেট সদর ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কয়েকটি এলাকা সিসিকের আওতাভুক্ত করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গণবিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত এলাকাগুলো সিসিকে যুক্ত হলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়তন বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার।

জেলা প্রশাসন থেকে জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করা হয়েছে সিলেট সদর উপজেলার চারটি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বেশ কিছু মৌজা। তন্মধ্যে রয়েছে সিলেট সদর উপজেলার টুকের বাজার ইউনিয়নের কুমারগাঁও, মইয়ার চর (দাগ নম্বর ৭৭, ৮২, ৮৩, ৮৯, ৯০, ৯১ ছাড়া), খুরুমখলা শাহপুর, আখালিয়া, খাদিমনগর ইউনিয়নের কুমারগাঁও, খাদিমপাড়া ইউনিয়নের সাদিপুর প্রথম খন্ড, টিলাগড়, দেবপুর, কসবা কুইটুক, সুলতানপুর চক, পেশনেওয়াজ, টুলটিকর ইউনিয়নের সাদিপুর প্রথম খন্ড, টিলাগড় ও দেবপুর। দক্ষিণ সুরমার কুচাই ইউনিয়নের হবিনন্দি, মণিপুর, আলমপুর, গোটাটিকর, বরইকান্দি ইউনিয়নের পিরিজপুর, ধরাধরপুর, বরইকান্দি, গোধরাইল এবং তেতলী ইউনিয়নের ধরাধরপুর, বরইকান্দি (অবশিষ্টাংশ), বলদী (কয়েকটি দাগ) মৌজাগুলো নতুন করে সিলেট সিটির অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয়। নতুন আওতাভুক্ত অধিকাংশ এলাকা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি না থাকায় সিটি এলাকা বর্ধিত করার প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

সিটি করপোরেশনের আয়তন বৃদ্ধি পাওয়ায় সেবার পরিধিও বাড়বে বলে জানা গেছে। এই সেবার আওতায় আসবেন বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুন জনসংখ্যার মানুষ।

0Shares





Related News

Comments are Closed