Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে দুই কমিউনিটি সেন্টারকে জরিমানা         কমলগঞ্জে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ইমাম আটক         সাংবাদিক মারুফ হাসানের পিতার ইন্তেকাল         বিশ্বনাথে খাল-বিলে অবাধে পোনা নিধন         সিলেট-৩ আসনকে নান্দনিক করতে সবাইকে নিয়ে কাজ করব : হাবিব         দক্ষিণ সুরমায় অসুস্থ বৃদ্ধের জায়গা আত্মসাতের চেষ্টা         কমলগঞ্জে ফ্যানের আঘাতে চা শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকদের কর্মবিরতি         সিলেটে আইনজীবী আনোয়ারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন         সিলেটে করোনায় আরো৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৮         গোয়াইনঘাটে একই পরিবারের ৩জনকে গলাকেটে হত্যা         শ্রীমঙ্গলের সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় নারী আটক         সিলেটে অটোরিকশায় যুবতিকে ‘গণধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২        

ব্যাংক ও ডাকঘরে বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মিলবে না

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : এখন থেকে তফসিলি ব্যাংকের শাখা বা ডাকঘর থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না। শুধু জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতাধীন সঞ্চয় ব্যুরো থেকে এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। ১৮ মে মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) থেকে এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। গতকাল থেকেই নতুন আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

আজ বুধবার থেকে কোনো বিনিয়োগকারী যদি পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে চান, তাহলে শুধু সঞ্চয় অধিদপ্তরের শাখা অফিসগুলোতে যেতে হবে। বর্তমানে সারা দেশে ৭০টির বেশি এমন সঞ্চয় ব্যুরো আছে। ১৯৭৭ সালে এই সঞ্চয়পত্র প্রবর্তন করে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের বাকি তিনটি সঞ্চয়পত্র—পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র নিয়ম অনুযায়ী আগের মতো ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে কেনা যাবে।

একজন বিনিয়োগকারী একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং যুগ্ম নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকার পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। নাবালকের পক্ষেও এই সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।

অন্যদিকে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি এই সঞ্চয়পত্র কেনে, তাহলে কত টাকার সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে, এর কোনো সীমা নেই। প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃত ভবিষ্যত তহবিলের অনুকূলেও এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে।

এ ছাড়া মৎস্য খামার, হাস-মুরগির খামার, পোলট্রি ফিড উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত বীজ বিপণন, গবাদিপশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার, ছত্রাক উৎপাদন এবং ফল ও লতা পাতার চাষ থেকে উপার্জিত আয় দিয়ে সঞ্চয়পত্রটি কেনা যাবে।

এই সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে মুনাফা নিতে চাইলে মুনাফার হার দাঁড়াবে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করলে প্রথম বছর শেষে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছর শেষে ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, তৃতীয় বছর শেষে ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ, চতুর্থ বছর শেষে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যাবে।

0Shares





Comments are Closed