Main Menu
শিরোনাম
‘এক্সেস লাগেজ’ জটিলতায় সেই নারীর ফ্লাইট মিস : বিমান         দশ হাসপাতাল ঘুরে বিয়ানীবাজারে বৃদ্ধার মৃত্যু         ইনসাফ ওয়েলফেয়ারের বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ         প্রবাসী জামিলা চৌধুরীর সাথে মাবাফা নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষাৎ         সিলেটে আইসিইউ ও ১ হাজার শয্যা বাড়ানোর দাবি         জৈন্তাপুরে ওপার থেকে নদীপথে আসছে টমেটোর চালান         ওসমানীতে যাত্রী হয়রানি, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা         স্ত্রীকে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টা স্বামীর         সিলেটে করোনায় আরো ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪০         বিশ্বনাথে খেলনার ‘বেহালা’য় হাছু মিয়ার জীবন সংগ্রাম         সেই নারীর লন্ডন যাওয়ার ব্যবস্থা করল বিমান         সাবেক এমপি মিলন-এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল        

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত কবরী

বিনোদন ডেস্ক: প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেত্রী কবরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান শেষে শনিবার (১৭ এপ্রিল) বাদ জোহর বনানীর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

করোনা পরিস্থিতির কারণে কবরীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার মরদেহ শহীদ মিনার বা এফডিসি নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনটাই জানিয়েছেন তার ছেলে শাকের চিশতি।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এর আগে শারীরিক জটিলতা এবং করোনা পজিটিভ হওয়ায় ৫ এপ্রিল রাতে দ্রুত কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কবরীকে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু কুর্মিটোলা হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে পাঠানো হয় এ অভিনেত্রীকে। গত বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানই চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিরবিদায় নিলেন বাংলা সিনেমার মিষ্টি মেয়ে খ্যাত এ অভিনেত্রী।

১৯৫০ সালের চট্টগ্রামে জন্ম নেন বাংলা চলচ্চিত্রের এ কিংবদন্তী শিল্পী। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর টেলিভিশন থেকে সিনেমায়। চিত্ত চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ১৯৭৮ সালে সফিউদ্দীন সরোয়ারকে বিয়ে করেন, পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে তাদের। ব্যক্তিগত জীবনে পাঁচ সন্তানের জননী তিনি।

তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হল; সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ,‘সুজন সখী’, ‘আগন্তুক’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সারেং বৌ’, ‘দেবদাস’, ‘হীরামন’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’। নায়ক ফারুকের সঙ্গে অভিনীত ‘সুজন সখী’ চলচ্চিত্রটি ছিল তার জীবনের অন্যতম মাইলফলক।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ সিনেমায় অভিনয় করে চলচ্চিত্রে পা রাখেন কবরী। এরপর অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক-পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন কবরী।

কবরী পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘আয়না’। সম্প্রতি তিনি নির্মাণ করেছেন ‘এই তুমি সেই তুমি’। সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। পরিচালনার পাশাপাশি এর কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন কবরী নিজেই।

0Shares





Related News

Comments are Closed