Main Menu
শিরোনাম

৬ কোটি ৮০ লাখ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনার ভ্যাকসিন পেতে সরকার সব পথই খোলা রেখে কাজ করছে। এরইমধ্যে ‘ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট প্লান ফর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ইন বাংলাদেশ’-এর কাজ শেষ হয়েছে। আগামী দুইয়েক দিনের মধ্যেই তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে।

আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন জোট গ্যাভির (দ্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস) মাধ্যমে ভ্যাকসিন প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় সরকার। তাই আগামী ৭ ডিসেম্বর আবেদন করার শুরুর দিনই সব শর্ত পূরণ করে গ্যাভির কাছে আবেদন করতে চায় সরকার।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) কোভিড-১৯ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অন্যান্য হালনাগাদ তথ্য অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) মা, নবজাতক, শিশু ও কিশোরী স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক জানান, গত জুলাই মাসে বাংলাদেশ কোভ্যাক্সে আবেদন করে এবং গ্যাভি সেটি গ্রহণ করে গত ১৪ জুলাই। গ্যাভি কোভ্যাক্স সুবিধা থেকে বাংলাদেশ ৬৮ মিলিয়ন বা ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পাবে। জনপ্রতি দুই ডোজ করে এ ভ্যাকসিন দিতে হবে। মোট জনসংখ্যার শতকরা ২০ শতাংশ হারে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ১৩ কোটি মানুষ এ ভ্যাকসিন পাবে।

সভায় জানানো হয়, গ্যাভি ভ্যাকসিন ছাড়াও সরকার সরাসরি ভ্যাকসিন কেনার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। সেই লক্ষ্যে সরকার ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও দেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের এক্সট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কিনতে পারবে চার ডলারের বিনিময়ে। তবে এর সঙ্গে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবহন খরচ সব মিলিয়ে আরও এক ডলার যুক্ত হবে। সেখান থেকে বাংলাদেশ কিনতে পারবে ৩০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন। আর এজন্য অর্থ বিভাগ প্রায় ৭৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামান ও হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফ। বিভিন্ন বিষয়ে তথ্যউপাত্ত তুলে ধরেন অধিদপ্তরের পরিচালক ও সিডিসি’র লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী, হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. মো. ফরিদ হোসেন মিয়া, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন, এমআইএস শাখার পরিচালক ডা. মো হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আগামী মাসের মধ্যে যেসব পরীক্ষাগারে (জেলা সদর হাসপাতালে আরটি পিসিআর ল্যাব নেই) এবং সংক্রমণের মাত্রা বেশি সেসব এলাকায় এন্টিজেন পরীক্ষা চালু করা হবে। এ কাজের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল তৈরিতে আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হচ্ছে প্রশিক্ষণ। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, দেশে এ পর্যন্ত ১১৭টি পরীক্ষাগারে কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ সুবিধা দিয়ে দৈনিক ৫০ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু জনগণ নমুনা পরীক্ষা করাতে আসছে না। ফলে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে না।

0Shares





Related News

Comments are Closed