Main Menu
শিরোনাম
কমলগঞ্জে ৫দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা সমাপ্ত         সিলেটে একদিনে আরো ৩৭ জন শনাক্ত, মৃত্যৃ ১         বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে অপরিকল্পিত খোড়াখুড়ি         বিশ্বনাথে সড়কের বেশিরভাগ অংশ নদী গর্ভে বিলীন         সিলেট জেলা ছাত্রদল নেতা আতাউর আটক         সিলেটে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         সিলেটে একদিনে করোনায় আক্রান্ত ২৬, সুস্থ ৫৩         সিলেটে একদিনে করোনা রোগী শনাক্ত ৪২ জন         শাবির ল্যাবে ১৭ জনের করোনা শনাক্ত         সিলেটে একদিনে নতুন শনাক্ত ২৪ জন, সুস্থ ৪১         কমলগঞ্জে হামলায় সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য আহত         জামালগঞ্জ উপজেলায় নৌকার প্রার্থী ইকবাল বিজয়ী        

সিলেটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, এক আসামির স্বীকারোক্তি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন সরদারগাও এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের বিস্তর বর্ণনা দিয়েছে গ্রেফতারকৃত এখলাছ মিয়া। সেই সাথে ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা জবানবন্দিতে উল্লেখ করার পাশাপাশি তাদের দুজনের মধ্যে কার কি ভূমিকা ছিল তা বর্ণনা করেন এখলাছ। এসময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ২ দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার ওসি তদন্ত আদালতে জসিম উদ্দিন ও এখলাছ মিয়াকে বেলা ২টার দিকে হাজির করেন। ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ধর্ষণের সহযোগীতাকারী এখলাছ মিয়া সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এসময় আদালত আসামী এখলাছ মিয়াকে রিপ্রেশমেন্টের জন্য ৩ ঘণ্টা সময় দেন। এরপর প্রায় ৩০মিনিট জবানবন্দি রেকর্ড করার পর আদালতের বিচারক জসিম উদ্দিন ও এখলাছ মিয়াকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

জবানবন্দিতে এখলাছ মিয়া বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে স্কুলছাত্রীর সাথে দেখা করতে আসে এক যুবক। বিষয়টি তারা দেখতে পান। এসময় তারা এগিয়ে গেলে যুবকটি পালিয়ে যায়। তাকে তারা চিনেন না। পরে স্কুলছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে জসিম। পরে ধর্ষণ করার কথা ছিলো এখলাছকে। জসিম ধর্ষণ করার সময় আমি (এখলাছ) পাহারা দিয়েছি। আমি ধর্ষণ করার আগে স্কুলছাত্রীর এক মামা এগিয়ে এলে আমরা পালিয়ে যাই।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, স্কুলছাত্রীর পিতা মামলার এজহারে যে অভিযোগ করেছেন সেইভাবে এখলাছ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়া ধর্ষিত স্কুলছাত্রী আদালতে দেয়া ২২ ধারা জবানবন্দিতে জসিম ও এখলাছের ভূমিকা নিয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেই রকম তথ্য আদালতে দিয়েছে এখলাছ। মূলত স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে জসিম। এখলাছ পাহারা দিয়েছে। জসিমের পর এখলাছের ধর্ষণ করার কথা থাকলেও সে পারেনি ওই কিশোরীর মামার জন্য।

সূত্র জানায়, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় পিতা বাদী হয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর জালালাবাদ থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা নং-৮ দায়ের করেন। মামলার ১৯ দিন পর গত ৪ অক্টোবর ভোরে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে সুনামগঞ্জের আক্তাপাড়া এলাকা থেকে ও এখলাছ মিয়াকে সিলেট শহরতলীর কালাপাহাড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ৬ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের প্রত্যেকের ৫দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলে শুনানী শেষে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিচারক শারমিন খানম নিলা।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed