Main Menu

এমসি কলেজে গণধর্ষণে জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ এমসি কলেজ হোস্টেলে সংগঠিত গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এমসি কলেজ সংসদ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এমসি কলেজ শাখার সভাপতি পংকজ চক্রবর্তী জয় এবং সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত দেব এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

এসময় বিবৃতিতে বলা হয়, এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে জড়িত ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত৷ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ অনতিবিলম্বে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে। ধর্ষক সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক প্রশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হোস্টেল সুপার ও দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টদের কর্তব্যে অবহেলার জন্য কলেজের সকল প্রকার কর্মকাণ্ড থেকে অপসারণ করতে হবে। এবং ধর্ষণের স্বীকার হওয়া নারীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করেছে মহানগর ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। অভিযুক্ত এসব কর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।

এদিকে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে এসএমপির শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিত ওই তরুণীর স্বামী মাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলো- এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর, শাহ রনি, অর্জুন, মাহফুজ, রবিউল ও তারেক।

এদিকে সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুরের রুম থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সাইফুরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে এ মামলা দায়ের করে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহ পরাণ (রহ.) থানার ওসি শাহপরান আব্দুল কাইয়ুম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি রামদা, দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed