Main Menu
শিরোনাম
এসএসসি ২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         জৈন্তাপুরে ৪৪৫ পিস ইয়াবাসহ ১জন গ্রেপ্তার         সিলেটে আরও ১৫ জনের করোনা শনাক্ত         বাগলী স্থল শুল্ক ষ্টেশনে মানববন্ধন অনুষ্টিত         জুড়ীতে আগুনে পুড়ল ৬টি দোকান         সিলেটে করোনায় আরও এক মৃত্যু, শনাক্ত ১০         বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব পালিত         জৈন্তাপুরে এসএসসি-২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         কুলাউড়া পৌরসভায় আ.লীগ প্রার্থী সিপারের জয়         জগন্নাথপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তার জয়ী         কমলগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন জুয়েল আহমদ         সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন নাদের বখত        

একাদশে ভর্তি শুরু ৯ আগস্ট

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে বিলম্বিত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির কার্যক্রম আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু হবে।

রবিবার (১৯ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এক অনলাইন মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়। এরপরই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তির যাবতীয় তথ্য শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার বাড়তে থাকায় গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দুই মাস লকডাউনের পর অফিস-কারখানা-যানবাহন সীমিত পরিসরে চালু হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

এর আগে গেল ৩১ মে মাসে সারা দেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। ৬ জুন থেকে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পিছিয়ে যায় ভর্তি কার্যক্রম।

এ বছর সারা দেশে ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিকের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে ঘোষিত ফলাফলে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই গত দেড় মাস ধরে একাদশে ভর্তির জন্য অপেক্ষা করছে।

জানা গেছে, এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী ও বিকেএসপি কোটা বহাল থাকছে। তবে, অন্যান্য কোটা নিয়ে নীতিমালায় কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি। ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ব্যয় কমাতে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ভর্তিতে ফি আবেদন ফি ও ভর্তি ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সূত্র জানায়, ভর্তির সময় পরিবর্তন হলেও ইতোমধ্যে প্রকাশিত নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

নীতিমালায় একাদশে বিশেষ কোটা হিসেবে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, দশমিক পাঁচ শতাংশ বিকেএসপি এবং দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রবাসী কোটা বহাল থাকছে। প্রবাসীদের সন্তান ভর্তির বিষয়ে সরাসরি বোর্ডে আবেদন করতে হবে। তবে, বিভাগীয় ও জেলা সদর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দপ্তরগুলোর কোটার বিষয়ে খসড়ায় কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এছাড়া ঢাকার মধ্যে আংশিক এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন প্রতিষ্ঠানের বাংলা মাধ্যম ভর্তির জন্য ৯ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমের ভর্তি ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হবে। সব প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্নয়ন ফি ৩ হাজার টাকার বেশি করা যাবে না। প্রতিটি খাতে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে রসিদ প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া মফস্বল ও পৌর এলাকার জন্য ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা, পৌর জেলা সদরে ২ হাজার টাকা, ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ জানান, ইতোমধ্যে প্রকাশিত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে শুধু সময়সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। ভর্তি প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি খুব তাড়াতাড়ি সবার সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

0Shares





Related News

Comments are Closed