Main Menu

আসছে ভ্যাকসিন, করোনার অবসান ঘটবে শিগগিরই

Manual6 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিসের পরিচালক ড. অ্যান্থনি ফাউচি বলেছেন, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় কার্যকর ওষুধ আসছে, শিগগিরই কোভিড-১৯ ভাইরাসের অবসান ঘটবে। যুক্তরাষ্ট্রে আর দীর্ঘমেয়াদি লকডাউনের দরকার হবে না বলেও মনে করেন তিনি। খবর এএফপি’র।

Manual7 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের এই সদস্য বলেন, আমি আশাবাদী যে, শিগগিরই বিশ্ব একটি ভ্যাকসিন পাবে, যা মহামারীর অবসান ঘটাবে। ভ্যাকসিনের প্রাথমিক পরীক্ষার ফল খুবই উৎসাহব্যঞ্জক।

ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসের মতো বহু এলাকায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ছে, সেখানে লকডাউন কতটা কার্যকর এমন প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ফাউচি বলেন, আমি মনে করি না, আমরা লকডাউনে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আর কথা বলব।

Manual4 Ad Code

কোভিড ১৯-এর ওষুধ নিয়ে ফাউসি বলেন, যুক্তরাজ্যে স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসনের পরীক্ষার ফলে তিনি মুগ্ধ। ওষুধটি পরীক্ষায় ভেন্টিলেশনে থাকা কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। তবে এ ওষুধ রোগীর সংক্রমণের পর পরই না দিতে পরামর্শ দেন যুক্তরাষ্ট্রের এ বিশেষজ্ঞ।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত করোনায় আক্রান্ত যেসব রোগীর ভেন্টিলেশন ও অক্সিজেনের প্রয়োজন, সেই রোগীদের জীবন বাঁচাতে ডেক্সামেথাসন অত্যন্ত কার্যকর বলে দেখা গেছে। এটি এক ধরনের স্টেরয়েড। তবে মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য এই ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এ গবেষণা চালিয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রায় দুই হাজার করোনা রোগীর দেহে ডেক্সামেথাসন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। তা থেকে প্রাপ্ত ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি ৪০ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে কমে আসে। আর যেসব রোগীর অক্সিজেন গ্রহণের প্রয়োজন হয়, তাদের মৃত্যুঝুঁকি ২৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে কমে আসে।

Manual8 Ad Code

অন্যান্য টিকার ব্যবহারে করোনা চিকিৎসার বিষয়ে ফাউচি বলেন, করোনাভাইরাসের টিকার সঙ্গে এইচআইভির টিকার তুলনা করা যাবে না। করোনাভাইরাস টিকার বিষয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী। কারণ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগী এ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাদের ইমিউন সিস্টেম বা প্রতিরোধী ক্ষমতা ভাইরাসটিকে পরাজিত করতে পেরেছে। এ থেকে বোঝা যায়, প্রকৃতি আপনাকে এটি দূর করা সম্ভব, সে প্রমাণ দেয়।

যেহেতু আক্রান্ত ব্যক্তিরা সেরে ওঠার পর তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, বিজ্ঞানীরা আত্মবিশ্বাসী যে এই অ্যান্টিবডি মানবসৃষ্ট অ্যান্টিজেন দ্বারাও তৈরি হতে পারে। ফাউসি বলেন, মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিন নিয়ে পশুর ওপর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের প্রাথমিক গবেষণা সম্পর্কে তিনি সতর্ক আশাবাদ প্রকাশ করেন। মানব গবেষণাতেও প্রাথমিক ফল এটি উৎসাহজনক ফল দেখিয়েছে।

মডার্নার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি ভ্যাকসিন সাময়িকভাবে এগিয়ে গেলেও এটি চূড়ান্তভাবে সফল হবে কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code