Main Menu
শিরোনাম

বিশ্বনাথের গণধর্ষণ মামলার আসামি আফিজ গ্রেপ্তার

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের বিশ্বনাথে ঈদের রাতে সংঘটিত গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামিকে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯।

বুধবার (৩ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-১ (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে বলে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন এএসপি সত্যজিৎ কুমার ঘোষ এবং এএসপি কামরুজ্জামান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি আফিজ মিয়া (৩০) বিশ্বনাথ উপজেলার বশিরপুর গ্রামের আব্দুল মিয়ার পুত্র।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিশ্বনাথ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

উল্লেখ্য গত ২৫ মে ঈদুল ফিতরের রাতে বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের মাহতাবপুর গ্রামে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে রাতভর গণধর্ষণ করে ছয় লম্পট।

এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ৩ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০১ (তাং ০১.০৬.২০ইং)।

মামলার অভিযুক্তরা হলো উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের বশিরপুর গ্রামের আশিক মিয়ার পুত্র মিজান মিয়া (২০), একই গ্রামের বারিক মিয়ার পুত্র ইমন আহমদ জসিম (২১) ও আবদুল মিয়ার পুত্র আফিজ মিয়া (৩০)।

বাদী তার লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, কিছু দিন পূর্বে ভিকটিম কিশোরীর সাথে অভিযুক্ত মিজানের পরিচয় হয়। সেই সুবাদে মিজানের সাথে মোবাইল ফোনে প্রায়ই কথা হতো গণধর্ষণের শিকার হওয়া কিশোরীর। আর সেই সুবাধে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ওইদিন (ঈদের দিন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে কিশোরীকে ফোন করে দেখা করতে বলে মিজান। তখন সে (কিশোরী) ঘর থেকে বের হলে মিজান ও তার সহযোগী জসিম-আফিজসহ আরো ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা যুবক তাকে ঝাপটে মুখ চেপে ধরে। এরপর তারা মেয়েটিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তি নির্জন স্থানে (সরকারি পুকুরের পাড়ে) নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে সজ্ঞাহীন করে সারা রাত পালাক্রমে পাশবিক নির্যাতন করা হয়। ২৬ মে ভোরে ঘটনাস্থলের পাশ্ববর্তি বাড়ির বাসিন্দা করুনা চন্দ্র মেয়েটিকে রক্তাক্ত ও সজ্ঞাহীন অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে ডেকে তুলে পরিচয় জানতে পারেন। এসময় তিনি (করুনা) তার ঘর থেকে কাপড় এনে মেয়েটির শরীর ঢেকে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন। বাড়িতে ফেরার পর মেয়েটির কাছ থেকে বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানার পর তারা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেন। এরপর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামীম মুসা ওই সময় জানিয়েছিলেন, মামলাটি তদন্ত করবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। আর তদন্ত সাপেক্ষে এব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

0Shares





Related News

Comments are Closed