লকডাউন শিথিলে ভারতে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে লকডাউন শিথিল করার গত তিনদিনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১০ হাজারের বেশি। এনিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা চার মাসে অর্ধলক্ষ ছাড়িয়ে গেছে।
বুধবার ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৬১ জন। এদিন করোনার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯ জন। এ নিয়ে মহামারীতে দেশটিতে মোট ১৭৮৫ জনের মৃত্যু হলো। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
করোনার বিস্তার রোধে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে গত ৪ মে সোমবার থেকে তা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। শিথিলের কারণে বাইরে বেরিয়ে আসছে মানুষ। আর এতেই যেন আক্রান্তের হিড়িক পড়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছে, ভারতে আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৫৬১ জন। এ নিয়ে সারাদেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫৩ হাজার ২৫ জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এর আগে ৫ মে মঙ্গলবার একদিনে আক্রান্ত হয়েছিল ২৯৬৩ জন এবং ৪ মে সোমবার আক্রান্ত হয়েছিল ৩৯৩২ জন। তার আগের দিন ৩ মে রোববার আক্রান্ত হয়েছিল ২৮০৬ জন।
দেশটিতে গত ২৬ এপ্রিল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার। গত ১০দিনে এসে আক্রান্তের সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন লেন, দশ-বারো দিনে আক্রান্ত দ্বিগুণ হওয়া অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়।
এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩৩১ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়ার হারও এখন বেড়ে ২৮.৭১ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।
জানুয়ারির প্রথম দিকে ভারতের কেরালায় প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। তারপরই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসটি। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন জারি করা হয়েছে সারা দেশে। দু’বার বাড়ানোও হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ। আপাতত ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন চলবে।
Related News
ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নিউইয়র্ক-নিউজার্সিতে জরুরি অবস্থা জারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর-আটলান্টিক সাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী নিম্নচাপ থেকে উদ্ভূত তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘নর’ইস্টার’-এর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়েRead More
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতেRead More



Comments are Closed