Main Menu

সুনামগঞ্জের সেই নারীর আক্রান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেরীগাঁও গ্রামে এক নারী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার স্থান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। ওই নারীর স্বামী সদ্য নারায়নগঞ্জ থেকে এসেছেন বলে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হলেও পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি নয় মাস পূর্বে সিউকিউরিটি গার্ডের চাকরি ছেড়ে বাড়িতে এসে কৃষিকাজ করছেন তিনি। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ওই প্রসূতি নারী বাড়িতে নাকি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল কিংবা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সংক্রমিত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন জানান সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপতালে চিকিৎসাধীন এক নারীর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই জনে।

সরেজমিন গেলে আক্রান্ত নারীর স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় ওই নারীর প্রসব ব্যথা ওঠার পর স্বজনরা ডেলিভারির জন্য সদর হাসপাতালে তাকে নিয়ে আসেন। সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য তার ‘ও’ নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে রক্ত জোগাড় করতে না পারায় চিকিৎসাকরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে রাতেই অপারেশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় সন্তান প্রসব করেন তিনি। পরবর্তীতে তার সর্দি-জ্বর ও শ্বাস কষ্ট দেখা দিলে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করলে ফলাফল পজেটিভ আসে।

আক্রান্ত মহিলার স্বামী বলেন, আমি এলিট ফোর্স নামক একটি সিকিউরিটি গার্ড কোম্পানিতে চাকরি করতাম। নয় মাস আগে চাকরি চলে গেলে বাড়িতে এসে কৃষিকাজ শুরু করি। এর পর থেকে আর ঢাকা কিংবা নারায়নগঞ্জে যাইনি। তিনি বলেন, আমার ধারনা আমার স্ত্রীর হাসপাতাল থেকে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তাঁর এমন দাবির সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেশী শুকুর নেছা বলেন, আক্রান্ত মহিলার স্বামী নয় মাস আগে নারায়নগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসেন এবং আর সেখানে যাননি তিনি। এমন দাবির স্বপক্ষে বলেন অপর দুই প্রতিবেশী আলেক মিয়া, আব্দুল ওয়াহিদ প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন বলেন, পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি সঠিক হলে হতে পারে রাস্তায় কিংবা হাসপাতালে ওই নারী সংক্রমিত হয়েছেন। আমরা তার সংস্পর্শে আসা একজন ডাক্তার ও দুইজন নার্সকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছি।

Share





Related News

Comments are Closed