Main Menu

ওসমানী হাসপাতালে দুর্নীতি বন্ধে স্মারকলিপি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ এবং সর্বস্তরের নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট কল্যাণ সংস্থা ও এ অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সিলেট কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত চন্দ, অর্থ সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিনিয়র সহ-ধর্ম সম্পাদক দিপক কুমার মোদক বিলু, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রমজান আহমদ সাকিল, সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ সাজু, প্রতিবন্ধী সম্পাদক মো. শরীফ আহমদ, সিনিয়র সহ-সমাজসেবা সম্পাদক পিযোষ মোদক, সিলেট মহানগর প্রতিনিধি সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহিম, সমাজসেবা সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হিমু ও যুবনেতা তাহেল আহমদ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘সিলেট বিভাগে চিকিৎসাক্ষেত্রে একমাত্র ভরসার নাম এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। পুরো দেশজুড়ে সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই চিকিৎসা কেন্দ্রটির সুনাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এখন পুরো ভিন্ন পথে চলছে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে রমরমা ব্যবসা। অসহায় ও সর্বসাধারণ রোগীদের সরকারিভাবে চিকিৎসাসেবাসহ ফ্রি ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তারা তা পাচ্ছেন না। ওসমানী হাসপাতালের পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ব্যবসায় পরিণত করা হয়েছে। সর্বাবস্থার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ছাড়া আর কেউ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারছেন না। বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কেবিনে সিট খালি থাকার পরও রোগীদের নিচে রাখা হচ্ছে।’’

আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের মারাত্মক অবহেলা, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ওসমানী হাসপাতালের ল্যাবে না করে ডাক্তারদের নির্দেশমত বাইরে থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আনার জন্য পাঠানো হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পাশাপাশি গেইটে আনসার-দারোয়ানদের চাঁদা বাণিজ্য, রোগীদের সরকারী ঔষধ না দিয়ে বাইরে থেকে ক্রয় করতে বাধ্য করা, যথাসময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক না পাওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে আগত রোগীদের মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ওসমানী হাসপাতালে দুর্নীতি চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অপারেশন থিয়েটারে রোগীকে ঢুকানোর পরপরই ভেতর থেকে শুধু অপারেশন সম্পৃক্ত ঔষধ স্লিপ আসতেই থাকে। রোগীর স্বজনরা বাধ্য হয়ে অপ্রয়োজনীয় ঔষধ ক্রয় করে আনতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।’’

Share





Related News

Comments are Closed