Main Menu

গোলাপগঞ্জে জমির পর্চা জালিয়াতি, ৪ নারী হাজতে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জে জমির পর্চা জালিয়াতি করে জায়গা আত্মসাতে জড়িত থাকায় চার মহিলাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত।

এ মামলার অপর ৪ আসামীর বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে।

জেলহাজতে যাওয়া নারীরা হলেন- গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জের শিরিন বেগম (৪৬), জুলি বেগম (৩৫)। তারা হেতিমগঞ্জ গ্রামের মৃত আতাউর রহমান মিয়া ঠাকুরের মেয়ে।

অপর দুই জনের মধ্যে হুসনা বেগম লেবু (৬৫) মৃত আতাউর রহমানের স্ত্রী ও ফরিদা বেগম (৩০) মৃত দুলাল আহমদের স্ত্রী। তারা সকলে একই পরিবারের সদস্য।

রবিবার তারা সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চতুর্থ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক ফারজানা শাকিলা ছুমু চৌধুরী তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ গ্রামের মো. আখলাছ মিয়ার হাতিম নগর দক্ষিণ মৌজার কয়েকটি দাগের জায়গার জাল পর্চা তৈরীর মাধ্যমে একই গ্রামের হেলাল আহমদসহ (৪৫) পরিবারের ৮ জনের নামে নামজারী করে নেন।

বিষয়টি জেনে জায়গার মালিক মো. আখলাছ মিয়া গোলাপগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলী আদালতে ২০১৯ সালে একটি মামলা দায়ের করেন। সি আর মামলা নং ৩২১।

মামলায় বিবাদী করা হয় হেতিমগঞ্জ গ্রামের হেলাল আহমদ, দিলাল আহমদ, ইকবাল আহমদ, তালাল আহমদ, শিরিন বেগম, জুলি বেগম, হুসনা বেগম লেবু, ফরিদা বেগম।

মামলাটি তদন্ত করতে সিআইডিতে নির্দেশ দেয় আদালত। সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা করে আদালতের কাছে। এতে দেখা যায়, হাতিম নগর দক্ষিণ মৌজার জেল নং ৩৩, ২০নং খতিয়ানে বুজারত ২২৫ ও ২২৬ নং জায়গার পর্চা জাল করে আসামীরা তাদের নামে নামজারী করেন। আসামীরা ২২২ দাগের স্থলে ২৭৯, ২৫৬ দাগের স্থলে ৭৩২ ও ৭৩৮ দাগ লিখে কয়েকটি জায়গার দাগে ২ শতকের স্থলে ৩ শতক, অপর একটি দাগে ৩ শতকের দাগে ৫ শতক, ৫ শতকের দাগে ৭ শতক লিখে জায়গা তাদের নামে সঠিক বলে নামজারী করে নেয়।

রবিবার উক্ত মামলার ৪ জন মহিলা আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া মামলার অপর ৪ পুরুষ আসামীর বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন।

মামলাটি পরিচালনা করেছেন আইনজীবী এ কে এম শামিউল আলম, খোরশেদ আলম খোকন ও মো. হুমায়ূন রশীদ।

0Shares





Related News

Comments are Closed