সিলেট মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ভারতের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সাথে লাখো মুসলমানের রক্ত ও ঘাম জড়িয়ে রয়েছে। বর্তমান বিজেপি মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত থেকে মুসলমানদের উচ্ছেদের নীল নকশা বাস্তবায়নে লিপ্ত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ভারতের দিল্লীতে মুসলমানদের উপর নৃশংস হামলা, মসজিদ ও বাসাবাড়ীতে অগ্নিসংযোগের বর্বরতা বিশ^ মুসলিমের হৃদয়ে রক্তক্ষরণের শামিল। এসব হামলা ও বর্বরতা বন্ধে মোদী সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে সংঘাত উস্কে দিচ্ছে। অবিলম্বে মুসলমানদের উপর হামলা, নিপীড়ন বন্ধ এবং মসজিদ, বাসাবাড়ীতে অগ্নিসংযোগ বন্ধ করতে হবে। শুধু তাই নয়, এসব হামলা ও বর্বরতার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় মোদী সরকারের চলমান ধর্মবিদে¦ষের কারনে ভারত মুসলিম বিশ^ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ভারত সহ বিশে^র বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম নির্যাতন বন্ধে বিশ^ মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
রবিবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে, ভারতের দিল্লীতে নির্বিচারে মুসলমান হত্যা এবং মসজিদ ও বাসা বাড়ীতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সিলেট মহানগর জামায়াত।
মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী মোঃ শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, রফিকুল ইসলাম, উবায়দুল হক শাহীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির সিলেট মহানগর সভাপতি মামুন হোসাইন ও সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সা¤প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে গোটা ভারতই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে। ইতোপূর্বে এ আইনটি নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আইনটিকে চ্যালেঞ্জ করে প্রায় ১০০ আবেদন জমা পড়েছে। কিন্তু সরকার সেদিকে দৃষ্টি না দিয়ে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িযে দিচ্ছে। এর জের ধরে কোন উস্কানী ছাড়াই সম্প্রতি ভারতের দিল্লীতে নির্বিচারে মুসলমানদের হত্যা করা হয়েছে। মসজিদ এবং বাসাবাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ঘটনার ভয়াবহতায় জাতিসংঘ, ওআইসি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইউরোপীয় পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের আহবান জানিয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার আন্তর্জাতিক এই সংস্থাগুলোর আহবানে কোন সাড়া দেয়নি। ফলে সার্বিক পরিস্থিতির আরও অবনতিই ঘটেছে। অনতিবিলম্বে ভারতে নির্বিচারে মুসলমানদের হত্যা বন্ধ করুন। মসজিদ, বাসা বাড়ী ও মুসলমানদের জানমাল রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নিন।
Related News
১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় লংমার্চের তারিখ ঘোষণা, দাবিতে নতুন দফা যোগ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবি এখন রূপান্তরিতRead More
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তনRead More



Comments are Closed