Main Menu

সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট চালু হচ্ছে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: আগামী জুনের মধ্যে সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ফ্লাইট চালুর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো: মাহবুব আলী। তিনি বলেন সিলেট একটি পর্যটন সমৃদ্ধ। এ এলাকার পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিলেটকে দিয়ে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে ব্রান্ডিং করতে চাই।

বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেট-লন্ডন-ম্যানচেস্টার রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং এ ফ্লাইটে পণ্য আমদানী ও রপ্তানি সহজ করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

নগরীর একটি হোটেলের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ মতবিনময়ে সভাপতিত্ব করেন চেম্বার সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়ে। এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো: মোকাব্বির হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিমান প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানন্দরের রানওয়ের সম্প্রসারণ কাজ চলছে। পাশাপাশি সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি জানান, আগামী জুনের মধ্যে বিমান বহরে আরো ৫টি বিমান যুক্ত হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সিলেটের মানুষের প্রতি দুর্বল। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী বিমান বহরে যুক্ত হওয়া ড্রিম লাইনার লন্ডন রুটে চলাচল করছে। ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়েসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।

গোলটেবিল বৈঠক শেষে ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জের ছাতক পর্যন্ত রেলওয়ে বিভাগের যে পরিত্যক্ত রোপওয়ে রয়েছে অচিরেই সেটি পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে পর্যটকদের জন্য দেশের প্রথম ক্যাবল কার চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে।

তিনি বলেন, রোপওয়েটি আগে পাথর পরিবহনের কাজে লাগতো। এখন এই প্রজেক্ট বন্ধ রয়েছে। অচিরেই রেল মন্ত্রীর সাথে আলাপ করে এটাকে যাতে ট্যুরিজমের আওতায় এনে এঅঞ্চলের পর্যটন শিল্পটের কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে চেষ্টা করবো। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সাথেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার রনজিত সাহা, কাষ্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের কমিশনার গোলাম মো. মুনীর, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম, সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন সাহা, সহ-সভাপতি তাহমিন আহমদ, ব্যবসায়ী মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed