Main Menu
শিরোনাম
এসএসসি ২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         জৈন্তাপুরে ৪৪৫ পিস ইয়াবাসহ ১জন গ্রেপ্তার         সিলেটে আরও ১৫ জনের করোনা শনাক্ত         বাগলী স্থল শুল্ক ষ্টেশনে মানববন্ধন অনুষ্টিত         জুড়ীতে আগুনে পুড়ল ৬টি দোকান         সিলেটে করোনায় আরও এক মৃত্যু, শনাক্ত ১০         বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব পালিত         জৈন্তাপুরে এসএসসি-২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         কুলাউড়া পৌরসভায় আ.লীগ প্রার্থী সিপারের জয়         জগন্নাথপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তার জয়ী         কমলগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন জুয়েল আহমদ         সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন নাদের বখত        

বিদেশিরা বছরে নিয়ে যাচ্ছে ২৬৪০০ কোটি টাকা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে অবৈধ বিদেশিরা ২৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। অবৈধভাবে বাংলাদেশে বসবাস করা এই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ভারতীয়।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য তুলে ধরেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। রাজধানীর ধানমণ্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবি কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশে বিদেশিদের কর্মসংস্থান : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বৈধ ও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রায় আড়াই লাখ বিদেশি কর্মী কাজ করেন। যার মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী বৈধ কর্মী ৯০ হাজার। তাদের ন্যূনতম গড় মাসিক বেতন দেড় হাজার মার্কিন ডলার। সে হিসাবে বিদেশি কর্মীদের বার্ষিক আয় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৩০ শতাংশ স্থানীয় ব্যয় বাদে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে চলে যায়।’

সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যা বেশি। প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার ভারতীয় বাংলাদেশে কাজ করছেন। এমনকি সরকারি প্রকল্পে যেসব বিদেশি কাজ করছেন তারাও ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে এসে কাজ করছেন।

২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এই গবেষণা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তৈরি পোশাক খাতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি শ্রমিক রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের সংখ্যার পর শ্রীলঙ্কা ও চীনসহ ৪৪টি দেশের শ্রমিক রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে বৈধভাবে বিদেশে যায় ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাকি ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়ে যায়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আর বার্ষিক রাজস্ব ক্ষতি হয় ১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন বা ১২ হাজার কোটি টাকা।

গবেষণায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশে যারা কাজ করতে আসেন তাদের ৫০ শতাংশই ভ্রমণ ভিসায় আসেন। এখানে কাজ যোগাড় করে আবার দেশে ফিরে যান। পরে আবার ভ্রমণ ভিসা নিয়ে আসেন।’

গবেষণায় দেশে বিদেশি কর্মী নিয়োগে অবৈধ অর্থের লেনদেনের বিষয়ও ওঠে আসে। সেখানে বলা হয়, ভিসার সুপারিশ পত্র, বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ, বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন, কাজের অনুমতি, এসবি ও এনএসআই ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ছাড়পত্র এবং ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিতে ২৩ থেকে ৩৪ হাজার টাকা নিয়ম বহির্ভূত অর্থ লেনদেন হয়।

এছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশি এক্সপার্ট না খোঁজা, কর ফাকি, একই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ বছরের বেশি কাজ করানো, ভিসা নীতি লঙ্ঘন ও বিদেশি কর্মীর বেতন কম দেখানো হয় বলেও গবেষণা উঠে আসে।

0Shares





Comments are Closed