আফগানিস্তানে ৮৩ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানে ৮৩ যাত্রী নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা আরিয়ানা’র একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১০ মিনিটে গজনি প্রদেশের দেহ ইয়াক জেলার সদো খেল এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আফগানিস্তানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। খবর রয়টার্স।
প্রাদেশিক গভর্নরের মুখপাত্র আরিফ নুরি জানান, আফগান রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা আরিয়ানা এয়ারলাইনের একটি বোয়িং বিমান স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে তালেবানদের দখলে থাকা গজনী প্রদেশের দেহ ইয়া জেলার সদো খেল এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। প্রাদেশিক কাউন্সিলের দুজন সদস্যও এ দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
গভর্নর কার্যালয়ের অপর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, হতাহতের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে বিমানটিতে ৮৩ জন যাত্রী ছিলেন।
এদিকে, সোমবার আরিয়ানা এয়ারলাইন্সের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিরওয়াইস মির্জাকওয়াল তার কোম্পানির বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আফগান কর্মকর্তারা যে বিবৃতি দিয়েছে তা অস্বীকার করেছেন।
মির্জাকওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, একটি বিমান দুর্ঘটনা পতিত হয়েছে, তবে সেটি আরিয়ানার নয়। কারণ, হরিয়া থেকে কাবুল এবং হেরাত থেকে দিল্লিগামী আরিয়ানার দুটি বিমান নিরাপদ ছিল।
এর আগে, তিনজন প্রবীণ আফগান সরকারী কর্মকর্তা বলেছিলেন, আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় গজনি প্রদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আরিয়ানা বিমান সংস্থার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
পাহাড়ি প্রদেশ গজনি হিন্দুকুশ পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত এবং শীতকালে সেখানে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে।
আফগানিস্তানে সর্বশেষ বড় ধরনের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালে। তখন কাম এয়ারের একটি ফ্লাইট পশ্চিমাঞ্চলের হেরাত থেকে রাজধানী কাবুলে যাওয়ার পথে তুষারময় আবহাওয়ায় অবতরণ করতে গিয়ে পর্বতে বিধ্বস্ত হয়েছিল।
তবে যুদ্ধের কারণে দেশটিতে বেশ কয়েকটি সামরিক উড়োজাহাজের মারাত্মক দুর্ঘটনা দেখা গেছে। সবচেয়ে স্মরণীয়টি ছিল ২০১৩ সালে উত্তর কাবুলের বাগরাম বিমানঘাঁটি থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই যাওয়ার জন্য একটি আমেরিকান বোয়িং ৭৪৭ কার্গো জেট উড্ডয়নের পরপরই ধসে গিয়েছিল। এতে সাত ক্রুর সবাই নিহত হন।
তালেবান শাসনামলে আফগানিস্তানের একমাত্র এয়ারলাইন আরিয়ানা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়লে এবং শুধুমাত্র হজফ্লাইট নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার অনুমতি থাকলে দেশটির উড়োজাহাজ চলাচল শিল্প মারাত্মক সংকটে পতিত হয়। তবে তালেবানদের পতনের পর কয়েকটি ছোট বেসরকারি এয়ারলাইন্স চালু হলেও এ শিল্পটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়ে গেছে।
Related News
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে সৌদির দুই রুটে ফ্লাইট বন্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবের দুটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছেRead More
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাকRead More



Comments are Closed