Main Menu

বিশ্বনাথে জাতীয় পতাকার আদলে বিদ্যালয়

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম আমতৈল। এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এরা দিন আনে দিন খায়। একটি অজপাড়া গাঁ। বেশীর ভাগ মানুষ মৎস্যজীবী। অবহেলিত ও অনুন্নত গ্রাম। গ্রামটির অবস্থান সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নে। তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে আমতৈল গ্রাম। উপজেলা সদর থেকে আমতৈল গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৬ কিলোমিটার। ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। লোকসংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। আমতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দরজা জানালা ও ঘরের রং করা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা লাল-সবুজের আদলে। জাতীয় পতাকার ন্যায় রং করা বিদ্যালয়টি দূর থেকে দেখতে বেশ চমৎকার লাগে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রথম ক্লাশ নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ হিসাবে অফিস কক্ষসহ প্রতিটি শ্রেণীকক্ষে অনেক মনীষি ব্যাক্তিদের ছবি, ফুল, ফল, নদী, বাঘ ও হরিণসহ বিভিন্ন কিছুর ছবি আকাঁ আছে। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষার্থী ৫৭৩ জন ও শিক্ষক সংখ্যা ১২ জন। পতাকার আদলে বিদ্যালয়কে সাজানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জাতীয় পতাকার রঙ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশের ইতিহাস বোঝানোর উদ্দেশ্যেই বিদ্যালয়টি জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ রঙে সাজানো হয়েছে। দেয়ালে আঁকা হয়েছে জাতীয় পতাকা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করুণা চন্দ্রনাথ বলেন, সরকারের শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য অর্থ আসলে আমরা সব শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা আলোচনার মাধ্যমে দরজা জানালা ও ঘরের রং জাতীয় পতাকা লাল-সবুজের মত করার সিদ্ধান্ত হয়। খুদে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পতাকার রঙ শেখাতে ও মুক্তিযুদ্ধের সময় রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে এ বিষয়টি বোঝাতে বিদ্যালয়কে জাতীয় পতাকার আদলে সাজানো হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহি উদ্দিন আহমদ বলেন, উপজেলায় ১৩৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিদ্যালয়ের উন্নয়নে স্লিপ প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে রয়েছে বিদ্যালয়ের ভবন রাঙানোর কাজ। এতে বিদ্যালয়ের প্রধানরা কেউ কেউ জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ রঙে বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের বাউন্ডারী সাজাচ্ছেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed