Main Menu

কুলাউড়ায় গলা কেটে গৃহবধূর আত্মাহুতি

কুলাউড়া প্রতিনিধি: অভাব সইতে না পেরে গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন রাবিয়া বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূ। অভাব অনটনসহ পারিবারিক কারণে তিনি নিজ পিত্রালয়ে এসে ধারালো দা দিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলেন। পুলিশ ওই গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

শুক্রবার (২৪ মে) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

গৃহবধূ রাবিয়া কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলী গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে এবং একই ইউনিয়নের দীঘলকান্দি গ্রামের তাহির আলীর স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে স্বামীর বাড়ি দীঘলকান্দি থেকে ফটিগুলিতে নিজের পিত্রালয়ে আসেন গৃহবধূ রাবিয়া বেগম। সবার অজান্তে দুপুরের দিকে ধারালো দা দিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলেন। এসময় তাঁর ছটফটানির শব্দে পার্শ্ববর্তী ঘরের লোকজন এগিয়ে এসে এ দৃশ্য দেখতে পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে মারা যান রাবিয়া বেগম। স্থানীয়রা কুলাউড়া থানা পুলিশকে খবর দিলে বিকেলে কুলাউড়া থানার এসআই হারুন আল রশীদ ঘটনাস্থলে যান এবং লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

আরও জানা যায়, কয়েকবছর আগে তাহির আলীর সাথে বিয়ে হয় রাবিয়া বেগমের। তাদের ঘরে ২ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তান রয়েছে। অভাব অনটনসহ পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে স্বামীর সাথে মাঝে মধ্যে রাবিয়া বেগমের মনোমালিন্য হতো। ঘটনার দিন হঠাৎ স্বামীর বাড়ি থেকে পিতার বাড়িতে এসে নিজ গলা দা দিয়ে কেটে ফেলার বিষয়টি রহস্যজনক।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তক্রমে এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed