Main Menu

তামাবিল দিয়ে ভারতীয় কয়লা আমদানী বন্ধ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: ভারতের আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে গত দু’দিন ধরে ভারতীয় কয়লা আমদানী বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (১৬ জানুয়ারী) থেকে কয়লা আমদানী বন্ধ রয়েছে বলে জানান সিলেট কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি চন্দন সাহা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৪ সালে ন্যাশনাল গ্রীণ ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ভারতের আদালতে কোয়ারী থেকে কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হচ্ছে না মর্মে মামলা দায়ের করে। এরপর বেশ কয়েক দফা বাংলাদেশে কয়লা রপ্তানী বন্ধ থাকে। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩১ মে থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কয়লা রপ্তানী বন্ধ ছিল।

আদালতের রায়ে ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে আবারো কয়লা রপ্তানী শুরু করে ভারতীয় রপ্তানীকারকরা। ২৫ দিন কয়লা রপ্তানী চালু থাকার পর আবারো আদালতের নির্দেশে বুধবার ১৬ জানুয়ারী থেকে রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ হলো।

এদিকে রাস্তায় কয়লা লোড হওয়া গাড়িগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির সুযোগ চেয়ে আদালতে রিট করেছেন ভারতের রপ্তানীকারকরা।

সিলেট কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি চন্দন সাহা জানান, ভারতের আদালতে গত ১৫ জানুয়ারী কয়লা মাইনিং-এর উপর দায়েরকৃত মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে ভারতীয় আদালত আবারো ১৯ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কয়লা রপ্তানীতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তার ফলশ্রুতিতে বুধবার থেকে কয়লা রপ্তানী বন্ধ করে ভারতীয় রপ্তানীকারকরা।

কয়লা আমদানি না হওয়ায় প্রতিদিন সরকার মোটা অংকের টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে বলে শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে কয়লা আমদানি বন্ধ থাকার কারণে আমদানিকারক ব্যবসায়িরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এছাড়া প্রায় ৪/৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।

তামাবিল কয়লা আমাদানীকারক সমিতির যুগ্ন সম্পাদক ইলিয়াস উদ্দিন লিপু জানান, ভারত থেকে কয়লা আমদানির জন্য গত ১৫দিনে ব্যবসায়ারী প্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি এলসি করেছেন। এরমধ্যে অনেক আমদানীকারক ব্যাংক লোন নিয়ে আমদানি ব্যবসা করায় প্রতিদিনই ব্যাংকের সুদ গুনতে হচ্ছে।

এদিকে তামাবিল শুল্ক স্টেশনে কয়লা লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত ৪/৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। কয়লা শ্রমিক আবদুর রহিম বলেন, ‘আমদানি বন্ধ। তাই কামও নাই। বাচ্চা-কাচ্ছা নিয়া বড় বিপদে আছি।

এ ব্যাপারে তামাবিল স্থল শুল্ক স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট নুরুল ইসলাম বলেন, বুধবার সকাল থেকে কয়লা রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় রপ্তানীকারকরা। এ ব্যাপারে তাঁরা আমাদেরকে কোন চিঠি দেয়নি। তবে কবে আবার আমদানি শুরু হবে এ ব্যাপারে সঠিক কিছু বলতে পারছি না।

Share





Related News

Comments are Closed