সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় প্রকাশ করছে তাদের উদ্দেশ্য সবাই জানে। যারা নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী না। তারা চায় না দেশে গণতন্ত্র থাকুক। নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী সংসদ নির্বাচন হবে।
সোমবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে এখন কথা বলা, রাজনীতি, সাংবাদিকতা করার স্বাধীনতা আছে। গণতান্ত্রিক ধারায় সবার রাজনীতি করার সুযোগ আছে। যারা এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে তাদের কার কী ভূমিকা তা সবাই জানে।
তিনি বলেন, যারা সেখানে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তারা কোথা থেকে এসেছে, কার কী ধরনের ভূমিকা, কী ধরনের বাচনভঙ্গি, এমনকি মেয়েদের প্রতি যে কী ধরনের কটূক্তি করতে পারে, সে প্রতিযোগিতাও তৈরি হয়েছে। এই যে এ গাছের ছাল, ওই গাছের বাকল সবমিলে একটা তৈরি হয়েছে, তো, যাক তারা ভালো কাজ করুক, সেটা চাই। আওয়ামী লীগ এটা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা করে না। বরং একটা হয়েছে, এটাই ভালো। এখানে স্বাধীনতাবিরোধী আছে, এখানে জাতির পিতার হত্যাকারীদের মদতদাতা, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স দিয়ে তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা, এমনকি যারা জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে, বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে, তারা মিলেই কিন্তু এক জায়গায় হয়েছে। এটাকে বাংলাদেশের মানুষ কিভাবে দেখে, সেটাই বড় কথা।
শেখ হাসিনা বলেন, জোটের এক সদস্য একজন নারী সাংবাদিককে যে নোংরা কথা বলতে পারে, তারা সবাই এক। এমন একটা জোট হয়, আমরা খারাপ কিছু দেখছি না। তারা যদি কিছু অর্জন করতে চায় করুক। কারণ, এদের কেউ কেউ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, কেউ কেউ আওয়ামী লীগেও ছিলেন। তারা জোট করেছেন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। রাজনীতিতে এ স্বাধীনতা সবার আছে, কারণ এখানে একটি গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠিত। সেই সুফল নিয়ে যারা জোটবদ্ধ হয়েছেন, তারা কী করতে পারেন দেখা যাক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মঙ্গলবার সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে সৌদি আরব যান। সফরে তিনি সৌদি আরবের বাদশাহর পাশাপাশি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় নিজস্ব জমিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের উদ্বোধন এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের চ্যান্সেরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববীতে এশার নামাজ আদায় এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করেন। এ সফরে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সৌদি আরব সফরের বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ সফর দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী বুধবার রিয়াদে কাউন্সিল অব সৌদি চেম্বার এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবৃন্দসহ সৌদি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে এক সভায় যোগ দেন। অনুষ্ঠানে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়।
সফর শেষে ২০ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাতে দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী।
Related News
সৌদিগামী ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিমানবন্দরগুলোয় বিধিনিষেধ আরোপের ফলে ঢাকা-সৌদিRead More
রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজRead More



Comments are Closed