Main Menu

ওসমানী হাসপাতালে কর্তিত অঙ্গ পুন:সংযোজন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো কর্তিত অঙ্গ সংযোজন (পুনঃসংযোজন) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে চিকিৎসকরা দাবি করেছেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি টিম গত ৯ সেপ্টেম্বর সফলভাবে আঙ্গুলটি সংযোজন করেন। অপারেশনের পর আঙ্গুলটির কর্মক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।

জানা গেছে, প্রতিপক্ষের সাথে রাস্তা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গত ৮ সেপ্টেম্বর সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ইয়াছিন আলীর (২১) বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি (বুড়ো আঙ্গুল) হাত থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত ইয়াছিন আলীকে সাথে সাথে তাঁর কর্তিত আঙ্গুলটি ফ্রিজে রেখে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগে ভর্তি করা হয়। ভর্তির ১১ ঘন্টা পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে তার হাতে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে দীর্ঘ ৮ ঘন্টা তার অপারেশন চলে। অপারেশনের পর ওই দিন রাত ৩টায় আঙ্গুলের কর্মক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে আসে বলে দাবি ওই চিকিৎসকের। অপারেশনের পর ওই রোগী বর্তমানে হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের প্লাস্টিক এন্ড বার্ণ ইউনিটে অবস্থান করছেন।

অস্ত্রোপচারকারী প্লাস্টিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নান জানান, এ ধরণের কর্তিত অঙ্গ নিয়ে সংশ্লিষ্ট রোগী যদি ৬ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়, তবে তা পুন:সংযোজন সম্ভব।

তিনি বলেন, এ ধরণের চিকিৎসার জন্য এখন আর ঢাকা কিংবা বিদেশে যাবার প্রয়োজন নেই। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ধরণের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব বলে জানান তিনি। ঢাকার বাইরে সিলেটে প্রথম এ অঙ্গ পুন:সংযোজন হয়েছে বলে দাবি করেন এ চিকিৎসক।

সহকারী অধ্যাপক প্লাস্টিক সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নানের সাথে অপারেশনে সহযোগিতা করেন ডাঃ নাহিদ, ডাঃ জহিরুল ইসলাম, ডাঃ সাজিদ, ডাঃ সজীব, ডাঃ সাদিয়া, ডাঃ আবিদ। এ্যানেস্থেসিস্ট ছিলেন ডাঃ রিয়াদ ও ডাঃ নিজাম।-সিলেটের ডাক

Share





Related News

Comments are Closed