Main Menu

সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের লোহাগড়া থেকে আসা ফেস ক্রিমের কৌটায় বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১০। এ সময় ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ আগস্ট) মতিঝিল থানাধীন দিলকুশা এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস অফিস থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দিলকুশা এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস অফিস থেকে ৪০টি কৌটা থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের চারটি পার্সেলে আসা জব্দকৃত ৪০ হাজার ইয়াবা ঢাকার চার ডিলারের কাছে এসেছিল। ইয়াবাগুলো পাঠিয়েছিল চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার রাকিব নামের এক ব্যক্তি। ঢাকায় আসা ইয়াবার চালানগুলো আনা হয়েছিল ক্রিমের ৪০টি কৌটায় করে। সেগুলো নিতে এসে চার যুবক আটক হয়েছেন। তারাই মূলত ঢাকার ইয়াবার ডিলার। তাদের মাধ্যমেই ঢাকায় এসব ইয়াবা বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হতো।

সোমবার বিকেল পৌনে পাঁচটায় মতিঝিলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর কমান্ডার অফিসার (সিও) কাইয়ুমুজ্জামান।

আটককৃতরা হলেন- আবু নাইম, রুবেল, ফোরকান ও আরিফ। দুপুর সোয়া দুটা থেকে সোয়া তিনটা পর্যন্ত মতিঝিলের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

র‌্যাব সিও বলেন, ‘সারাদেশের মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই আজকের এই অভিযান। আমাদের কাছে তথ্য ছিল চট্টগ্রাম থেকে মাদকের একটি চালান ঢাকায় ঢুকবে এবং কিভাবে ঢুকবে সেই সংক্রান্ত আমরা তথ্য পাই। সেই অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে এখানে অবস্থান নেই। সেই সময় থেকে চারজনকে আটক করা হয়। এই ইয়াবার চালানটি ফেস ক্রিমের কৌটায় করে আনা হয়েছে। এখনও মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কায়দায় মাদক নিয়ে আসছে। সে অনুযায়ী আমরাও চেষ্টা করছি তাদের কৌশলগুলোকে ম্যানজ করে তাদের গ্রেফতার করতে। তারা যতো কৌশলই করুক না কেন তাদের কেউ রেহাই পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আটককৃতরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন তারা মূলত ইয়াবার ডিলার। ঢাকায় বসে ইয়াবা ডিলার হিসেবে কাজ করেন তারা। তবে যিনি পাঠিয়েছেন তাকে আমরা সনাক্তের চেষ্টা করছি। তার নাম পরিচয় আপাতত তদন্তের খাতিরে বলা যাচ্ছে না। তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারপর এ ঘটনার পেছনে কারা কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালানো হবে।’

এই ইয়াবার চালান আসার ক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিসের কারও সংশ্লিষ্টতা মিললে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘কুরিয়ার সার্ভিসের যারা ব্যবসা করে তাদের আরও স্বচ্ছ্তা আনা প্রয়োজন। আর তাদের কারও যদি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধেও আইনুনাগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা গ্রহণকারীকে আটক করেছি। তবে প্রেরণকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আমাদের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। তারা এটাকে ক্রিমের কৌটা হিসেবেই গ্রহণ করেছে। বিষয়টি তাদের অজানা ছিল বলে আমাদের জানিয়েছে।’

Share





Related News

Comments are Closed