Main Menu

সুনামগঞ্জে পাঁচ সন্তানের জননীর আত্নহনন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পাঁচ সন্তানের এক জননী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করলেন। নিহতের নাম রহিমা খাতুন (৩৬)। তিনি জেলার তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জঙ্গলবাড়ি গ্রামের হতদরিদ্র কয়লা শ্রমিক রেজ্জাক আলীর স্ত্রী।
শুক্রবার (৩ আগষ্ট) ফজরের নামাজের পর স্বামী ও অপর তিন ছেলে মেয়ে নদীতে কয়লা কুঁড়ানোর জন্য বাড়ি থেকে চলে যাবার পরপরই ওই মহিলা বসতঘরের আড়ার সাথে গলায় দড়ি লাগিয়ে আত্বহত্যা করেন।
নিহতের পারিবারীক সুত্র জানায়, উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে রহিমা খাতুনের সাথে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলবাড়ি গ্রামের মৃত বেলায়েত গাজীর ছেলে রেজ্জাক আলীর বিয়ে হয় ১৮ বছর পুর্বে। বিয়ের পর ওই দম্পতির কুলজুড়ে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে জন্ম নেয়।
এদিকে গত ৩/৪দিন ধরেই রহিমা খাতুন মানসিক ভাবে কিছুটা হতাশাগ্রস্থ ছিলেন দাবি করে তার স্বামী রেজ্জাক আলী শুক্রবার সকালে জানান, আমি ও আমার অপর তিন ছেলে মেয়েকে ফজরের নামাজের পর রহিমা হাতের তৈরী পিঠা দিয়ে নাস্তা খেতে দেয়। নাস্তা খেয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী কলাগাঁও ছড়া নদীতে আমরা কয়লা কুঁড়ানোর জন্য চলে গেলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আমার ছোট ছেলে শাকিল দৌড়ে গিয়ে তার মা ফাঁস লাগিয়েছে বলে জানায়। তিনি আরো বলন, সাথে সাথে বাড়ি এসে আড়া থেকে তাকে নামিয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানোর এক পর্যায়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রহিমার বড়ভাই উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মিয়া বলেন, আমার বোনের বিয়ে হয়েছে প্রায় ১৮ বছর, এর ভেতর ভগ্নি পতির সাথে কোন দিন ঝগড়াঝাটি হতেও শুনিনি এখন কী কারনে সে আত্বহত্যা করল তা বুঝতে পারছিনা।
তাহিরপুর থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর শুক্রবার সকালে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছে, আত্বহত্যার কারন সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

Share





Related News

Comments are Closed