Main Menu

ইবি প্রকৌশল অফিস ঘেরাও, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি

শাহাব উদ্দীন অসীম, ইবি প্রতিনিধি: পানির সমস্যা সমাধানের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রকৌশল অফিস ঘেরাও করেছে বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রীরা। শনিবার সকাল ৯ টায় প্রকৌশল অফিস ও অফিস সংলগ্ন রাস্তা ঘেরাও করে তারা। এসময় তারা হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানা গেছে, গত ১ মাস ধরে বেগম খালেদা জিয়া হলে পানির সমস্যা দেখা যাচ্ছে। বারবার অফিসে অভিযোগ আনা হলেও হলের প্রভোস্ট বা আবাসিক শিক্ষকদের কেউই এ বিষয়টি গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ করেছে হলের আবাসিক ছাত্রীরা। সকাল নয়টা থেকে আধা ঘন্টার বেশি সময় ধরে অফিসের সামনের রাস্তায় বসে থাকে তারা। এসময় ছাত্রীরা হলের ডাইনিং এ পঁচা, বাসি খাবার পরিবেশন, রুমে সাপ ঢোকা, আবাসিক শিক্ষকদের নিয়মিত হলে না থাকাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। অবরোধের সময় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বহনকারী কয়েকটি বাস রাস্তায় থেমে থাকতে দেখা যায়।

হলের ছাত্রীরা জানায়, ‘এক মাস থেকে হলে ঠিকমত পানি থাকে না। মেয়েদের বাথরুম ও টয়লেটগুলোতে পানি না থাকলে আমাদের অবস্থা কেমন হয় তা হল কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। হল প্রভোস্ট আমাদের কথা শুনতে আন্তরিক নয়। তাই আমরা বাধ্য হয়ে অফিস অবরোধ করেছি।’

আন্দোলনের সময় প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘হলে আবাসিক শিক্ষকরা নিয়মিত আসেন না। অভিযোগ খাতায় অভিযোগ লেখা হলেও প্রভোস্ট কোন ব্যবস্থা নেন না। যে অবিভাবক আমাদের সমস্যার কথা শুনতে চান না এমন অবিভাবক আমাদের দরকার নেই।’ এসময় প্রক্টর হলের সমস্যা সমাধানের জন্য ছাত্রীদের আশ্বস্ত করেন।

এবিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, ‘খালেদা জিয়া হলের পানির সমস্যা সমাধান করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। আমরা যতদ্রত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক অশোক কুমার চক্রবর্তী এবিষয়ে বলেন, ‘এক মাস নয় আসলে এক সপ্তাহ থেকে এই পানির সমস্যা হচ্ছে। হলের পাম্পের সুইচ নষ্ট হয়েছিল। সমস্যার কথা প্রকৌশল অফিসকে জানালে তারা দায়িত্ব নিয়েছিল। আর গতকাল শুক্রবার সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় পানি উঠাতে পারেনি।’ তবে হলে আবাসিক শিক্ষদের নিয়মিত না থাকার বিষয়ে তিনি এই মুহূর্তে বলতে পারছেন না বলে জানান।

Share





Related News

Comments are Closed