Main Menu

শাবিতে ফিরেছেন জাফর ইকবাল

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: চিকিৎসার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ১১দিন পর সিলেট ফিরলেন জনপ্রিয় লেখক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটের সময় তিনি নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।
এসময় তাকে স্বাগত জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ ও কোষাধক্ষ্য ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস। এছাড়া ঢাকা থেকে তার সাথে আসেন তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক ও এ দম্পতির মেয়ে ইয়েশিম ইকবাল। বিমানবন্দর থেকে কড়া পুলিশী নিরাপত্তায় বেলা দেড়টায় তিনি শাবি ক্যাম্পাসে পৌছান। সেখানে বিকেল চারটায় মুক্তমঞ্চে সংবর্ধনায় যোগ দেবেন তিনি।
এদিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদদের সাথে কথা বলেন ড. জাফর ইকবাল। তিনি বলেন, হামলাকারীর প্রতি আমার কোন ক্ষোভ নেই, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আর কোন ছেলে যেন এ পথে না এগোয় এ ব্যবস্থা আমাদেরকেই করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাকে যেখানে আঘাত করা হয়েছিল, সেটা যদি দুই ইঞ্চি নিচে নামতো, তাহলে রগ কেটে যেত কিংবা বড় কিছু ঘটে যেত। আমি যেহেতু মৃত্যুর কাছাকাছি থেকে চলে আসছি, তাই আমার ভিতরে কোন প্রতিহিংসা নাই, সবার জন্য ভালোবাসা।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য জাফর ইকবাল বলেন, যারা আমার জন্য রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন, আমার জন্য দোয়া করেছেন, তাদের সবার প্রতি আমার শুভকামনা রইলো।
এরপর বেলা দেড়টায় শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পৌঁছে তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, এখানে ফিরে আসতে পেরে আমি খুবই খুশি। যে ছেলেটা আমার ওপর হামলা করেছে, তাকে যেন কম শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, আমি এখন সুস্থ আছি। আমার কথা জানানোর জন্য আমার মন ব্যাকুল হয়ে ছিলো। আমি ছটফট করছিলাম। তাই আমি দ্রত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছি।
এর আগে সকালে জাফর ইকবালের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সামরিকবাহিনীর কর্মকর্তারা তাকে সিএমএইচে বিদায় জানান। তাকে আগামী সাত দিনের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গত ৩ মার্চ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালায় ফয়জুল নামের এক দুষ্কৃতিকারী। হামলায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নেয়া হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ওইদিনই ঢাকা সিএমইচে হেলিকপ্টার যোগে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তার চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed