Main Menu

পাঁয়ুপথে মদের বোতল ঢুঁকিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানকে হত্যার চেষ্টা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে একদল মাতাল পায়ুপথে মদের বোতল ঢুকিয়ে প্রয়াত এক বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অপারেশনের পর কাঁচের বোতল বের করা হলেও বুধবার পর্যন্ত আশংকামুক্ত হতে পারেননি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের লাউড়েরগড় গ্রামের প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল হান্নানের ছেলে মামুন মিয়া (২৬)।
এদিকে এ বর্বর ঘটনার ৪দিন পেরিয়ে গেলেও দায়ীত্বশীল এলাকার কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন তিনি এখনো এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না।
জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবাজার লাউড়েরগড় থেকে গত রবিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একদল মাতাল সংঘবদ্ধ হয়ে সড়কে যুবক মামুনকে আটক করে জোরপুর্বক তাকে বিবস্ত্র করে তার পাঁয়ুপথে ভারতীয় অফিসার্স চয়েজ মদের কাঁচের বোতল ঢুঁকিয়ে দেয়। সঙ্গাহীন অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকতে দেখে পথচারী ও পরিবারের লোকজন রাতেই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে করার পর পায়ুপথে বোতল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক সোমবার দুপুরে দ্রæত তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তুতীয় তলার ১১নং ওয়ার্ডের এসএফএফ-০৮ নং বেডে চিকিৎসাধীন ভিকটিম মামুনকে সার্জারি মেডিসিন বিভাগের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সোমবার মধ্যরাত ২টার দিকে তলপেটে অপারেশনের মাধ্যমে কাঁেচর বোতল বের করে আনতে সক্ষম হন।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে থাকা ভিকটিম মামুনের পরিবারের লোকজন বুধবার জানিয়েছেন, একদল মাতাল হত্যার উদ্দেশ্যে পাঁয়ুপথে মদের কাঁচের বোতল ঢুঁকিয়ে দিয়েছিলো, অপারেশনের পর বোতল বের করে আনা হলেও এখনও মামুন শংকামুক্ত হতে পারেনি, ঘটনার রাত থেকেই স্বাভাবিক কথা-বার্তা বলাও বন্ধ রয়েছে তার।
তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই তপন চন্দ্র দাসের নিকট এ ব্যাপারে জানতে বুধবার যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

Share





Related News

Comments are Closed