Main Menu

সন্ধান মিলেছে ভবগুরে সাদিকের পরিবারের

বৈশাথী নিউজ ২৪ ডটকম : সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানায় উদ্ধার হওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন সাদিকের পরিবারের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অপর আরেকজন ইব্রাহীম মোল্লার পরিবারের সন্ধান এখনো মেলেনি।
জানা যায়, সাদিক কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলি থানার মধ্যতেংগুলিয়া গ্রামের মৃত রফিক মিয়ার পুত্র। বর্তমানে সে সিলেট নগরীর দর্জিবন্ধ এলাকার মঈন মাস্টারের কলোনীতে বসবাস করছে। সাদিক ৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। সে নগরীর দর্জিবন্ধ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মা ছোট ভাই বোন নিয়ে বসবাস করছে। এর আগে সে সিলেট হর্কাস মার্কেটে কুলির কাজ করতো। তার স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
এব্যাপারে শাহপরান (রহ.) থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার হোসেন জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর শনিবার সকালে ওসমনানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন সাদিকের পরিবারের সদস্যরা। সাদিকের ভগ্নিপতি হারুন মিয়ার কাছে আজ (শনিবার) তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। সে বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজের ২৫নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া আরেকজন মানসিক ভারসাম্যহীন ইব্রহীম মোল্লার স্বজনদের কোন খবর পাওয়া যায়নি। তাদের দেখাশুনার জন্য সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছেন, শাহপরান থানার এসআই মো. শাহজাহান ও মেডিকেলে দায়িত্বরত এএসআই মো. ফারুক।
গত ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর শাহপরান (রহ.) থানার ওসি আখতার হোসেন মানসিক ভারসাম্যহীন সাদিক ও ইব্রাহিম মোল্লা নামক দুইজন কে উদ্ধার করে নিজ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সিলেট সরকারী কলেজের ফটকের সামনে থেকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে উদ্ধার হওয়া ভবঘুরে (পাগল) সাদিক বাদশার পরিচয় সনাক্ত করতে সকলের নিকট সহযোগিতার আহবান করে পুলিশ।
শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানান, মো. সাদিক বাদশা নামের এক ভবঘুরে সিলেট সরকারী কলেজের সামনে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সে সময় সে পাথর দিয়ে গাড়ি ভাংচুরও করে। এতে স্থানীয় জনতা তাকে ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করি। উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed