Main Menu

কেয়া গ্রুপের মালিক গ্রেপ্তার

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কৃষি ব্যাংক থেকে ১১১ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের মামলায় কেয়া গ্রুপের মালিক আবদুল খালেক পাঠানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা। কেয়া গ্রুপের কর্ণধার খালেক কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, “কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের নামে কৃষি ব্যাংক থেকে ১১১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় খালেক পাঠানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

Manual5 Ad Code

দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে রবিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন। এর পরপরই অভিযানে নামে দুদক কর্মকর্তারা।

এই মামলায় কেয়া ইয়ার্নের চেয়ারম্যান খালেদা পারভীন পলি, দুই পরিচালক মাসুম পাঠান ও তানসিন কেয়াসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান প্রণব ভট্টাচার্য্য। চেয়ারম্যান খালেদা এবং পরিচালক মাসুম ও তানসিন কেয়া গ্রুপের মালিক খালেকের তিন সন্তান।

অন্য আসামিরা হলেন- কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার কর্পোরেট শাখার সাবেক এজিএম মো. সারোয়ার হোসেন, সাবেক ডিজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. জুবায়ের মনজুর, সাবেক এসপিও মো. আবুল হোসেন ও সাবেক এসপিও গোলাম রসুল।

Manual3 Ad Code

কেয়া ইয়ার্ন মিলের কারখানটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুনে অবস্থিত। এটি কাঁচা তুলা আমদানি করে সুতা উৎপাদন করে তৈরি পোশাক কারখানায় সরবরাহ করে থাকে।

মামলার এজাহারে কলা হয়, কৃষি ব্যাংকটির ওই শাখা প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদিত সীমার বাইরে গিয়ে কেয়া ইয়ার্নকে একের পর এক ‘ফরেন ডেফার্ড এলসি’র বিলে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ঋণের বিপরীতে কোনো জামানত না থাকায় তা জামানতবিহীন ঋণে পরিণত হয়, যার আদায় অনিশ্চিত।

Manual6 Ad Code

এছাড়া আমদানী করা মালামাল দিয়ে উৎপাদিত পণ্য ব্যাংকটির মাধ্যমে রপ্তানি না করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১০ সালের ২৭ জুলাই থেকে ২০১১ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে ওই ঋণ নিয়ে আত্মসাত করা হয় বলে এজাহারে বলা হয়।

Manual5 Ad Code

কেয়া গ্রুপের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কেয়া কসমেটিকসের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শুধু তাদেরই ঋণের পরিমাণ সাড়ে ১৩শ কোটি টাকার বেশি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code