বন্যায় সারাদেশে আজ ১৪ জনের মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যার কবলে আজ সোমবার (১৪ আগস্ট) মৃত্যু হয়েছে আরও ১৪ জনের। এ নিয়ে গত দুদিনে বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩৩ জনে।
আজ সোমবার মৃত্যু হওয়া ১৪ জনের মধ্যে দিনাজপুরে পাঁচজন, কুড়িগ্রামে সাতজন ও লালমনিরহাটে ২জন।
দিনাজপুরে বন্যার তৃতীয় দিনে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বীরগঞ্জ উপজেলায় দুইজন, নবাবগঞ্জ উপজেলায় দুইজন এবং বিরল উপজেলায় একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বীরগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে মোঃ আমানুল্লাহ (১০) এবং আমির হামজা (৫) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামে মতিয়ার রহমান (৬০) নামে এক ব্যাক্তি পানিতে ডুবে এবং একই উপজেলার জয়দেবপুর গ্রামে জোনাব আলী (৬৫) নামে অপর এক ব্যাক্তি দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে। নবাবগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মাটিয়াইন গ্রামে পানিতে ডুবে এক কন্যা শিশু মারা গেছে।
এ নিয়ে দিনাজপুরে বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জনে। এর আগে রোববার দিনাজপুরে মারা যায় ১৩ জন।
অপরদিকে, কুড়িগ্রামে পানিতে ডুবে সোমবার আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতরা হলেন, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের বগাপাড়া গ্রামের আলীর পুত্র নাজমুল ইসলাম (৭), ফুলবাড়ী উপজেলার ঘোগারকুটি এলাকার রইচ উদ্দিনের স্ত্রী হালিমা বেগম (৩৫) ও ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নজরমামুদ গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আজাহার আলী (৭০), নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জে মিজানুরের প্রতিবন্ধী পুত্র আবদুল করিম ওরফে মনসুর (১৪) ও ফান্দের চর জামাল গ্রামের কোরবান আলীর কন্যা প্রতিবন্ধী ফুলবানু (৩১), ভুরুঙ্গামারীর দেওয়ানের খামার এলাকার জামাল উদ্দিনের পুত্র মজিবর রহমান (১৫) এবং উলিপুরের বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকার বানভাসা রহমান (৬৫)।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা আখের আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ধরলার তীরে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ভেলাডুবির ঘটনায় আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের পূর্ব বডুয়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। এ নিয়ে মোট তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হল।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, পূর্ব বডুয়া গ্রামের আবদুল হামিদ ওরফে সামাদের স্ত্রী আছমা বেগম নাসিমা ও একই গ্রামের মোজাম উদ্দিন রবিউলের ছেলে আলিফ। নিখোঁজ রয়েছেন মোজাম উদ্দিন রবিউল।
Related News
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা, জামায়াত আমিরের তীব্র নিন্দা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর হামলার চেষ্টারRead More
পবিত্র মক্কা নগরীতে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পবিত্র নগরী মক্কা আল-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরের ঘটনায় তীব্র নিন্দাRead More



Comments are Closed