Main Menu

সুমিতা-অরিজিতের ঘাতক চালকের বিচার দাবী

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস ও তাঁর স্বামী স্কলার্সহোমের শাহীঈদগাহ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরিজিত রায়ের মৃত্যুর একবছর পূর্ণ হয় গত ৭ জুন বুধবার। একবছর পেরিয়ে গেলেও বিচার পায়নি শোকাহত পরিবার। নিহতদের স্মরণে ও চালক ঘাতকের বিচারের দাবীতে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে গত বুধবার দুপুর দুইটায় সিলেট কেন্দ্রিয় শহিদমিনার প্রাঙ্গণে গণজমায়েত, আড়াইটায় মানববন্ধন ও তিনটায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে সুমিতা দাস ও অরিজিত রায়ের ঘাতক চালকের বিচারের দাবী নিয়ে স্মরণসভায় কবি পুলিন রায়ের সভাপতিত্বে ও কবি সঞ্জয় কুমার নাথের সঞ্চালনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সুমিতা দাসের ছোট ভাই ধ্রæব গৌতম। সিলেটের বিশিষ্টজনের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন কবি এ.কে শেরাম, সাংবাদিক আল আজাদ, ওয়ার্কাস পার্টির সিলেট জেলার সভাপতি আবুল হোসেন, মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও সুমিতা দাসের সহপাঠী হোসনে আরা কামালী, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক কবি প্রণব কান্তি দেব, রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক ডা.সুধাময় মজুমদার, অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, ছড়াকার নিরঞ্জন চন্দ্র চন্দ, সাংবাদিক এ.এস শফি, মোহাম্ম্দ নুরুল ইসলাম।
মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পংকজ রায়, বাসদনেতা প্রণব জ্যোতি পাল, আওয়ামীলীগনেতা দিবাকর ধর রাম, সাংবাদিক শফিকুর রহমান চৌধুরী, কবি মঞ্জুর মোহাম্মদ, শিক্ষা কর্মকর্তা রীমা দাস, শিক্ষক বিমল দাস, শংকরী দাস, শিমুল চক্রবর্তী, তুহিন দাস, প্রাঙ্গন রায়,বনবীর দত্ত, গীতিকবি হরিপদ চন্দ, উত্তম কাব্য, ফরিদা নাসরিন,শাহীন রানা, সম্পা দাস, রতœা দাস চৌধুরী, কৃষ্ণ চন্দ্র দাস, সুরমা খেলাঘরের কর্মকর্তা দীনবন্ধু পাল, নাট্যজন আশুতোষ ভৌমিক বিমল, সংস্কৃতিকর্মী সন্দীপ দেব, সুজন সরকার, ডা. মিথুন চৌধুরী রাহি প্রমুখ।
সুমিতা অরিজিতের একমাত্র শিশুকন্যা অরুনিমা রায় ¯েœহা মাইক হাতে নিয়ে কেবল কেঁদে কেঁদে শুধু বলেছে , আমার মা-বাবা হত্যার বিচার চাই।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭জুন সকালে সিএনজি অটোরিক্সায় করে সিলেটের দক্ষিণসুরমার মহালক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস ও তাঁর স্বামী স্কলার্সহোমের শাহীঈদগাহ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরিজিত রায় একমাত্র শিশুকন্যা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী অরুনিমা রায় ¯েœহাকে (১১) নিয়ে বাসা থেকে মেয়ের স্কুল ও নিজেদের কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। সিলেটের টিলাগড়ের গোপালটিলার কাছে আসামাত্র অদক্ষ লাইসেন্সবিহিন কারচালক (গাড়ির মালিক) মিনু মিয়া সিএনজির উপর তার কার তুলে দিলে ঘটনাস্থলেই অরিজিত মারা যান। হাসপাতালে আনার পর সুমিতাও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনায় জনতা মিনু মিয়াকে আটক করে পুলিশে তুলে দিলেও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার একবছর পেরিয়ে গেলেও ঘাতক মিনু মিয়া এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

Share





Related News

Comments are Closed