Main Menu

অবশেষে স্ত্রীর মর্যাদা পেলেন অনশনকারী ইউপি সদস্য প্রিয়সী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কথিত স্বামীর বাড়িতে তিন দিন অনশনের পর স্ত্রীর মর্যাদা পেয়েছেন ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সী (৩০)। স্বামী সন্তান রেখে প্রেমের টানে প্রিয়সী ওই ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম পলাশের (২৩) বাড়িতে অনশন করছিলেন।

আজ শনিবার সকালে স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার কথা সাংবাদিকদের জানান প্রিয়সী। তিনি বলেন, পলাশ তাকে বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ঘরে তুলে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস পেয়েছেন। এজন্য গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রিয়সী।

এর আগে বিভিন্ন অনলাইন প্রিন্ট মিডিয়ায় নারী ইউপি সদস্যের অনশনের খবর প্রকাশ পেলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। নাজমিন সুলতানা প্রিয়সী জানিয়েছিলেন, এক বছর আগে থেকে পলাশ তার সঙ্গে প্রেম করে আসছিল। ওইসময় প্রেমিক পলাশের প্রলোভনে স্বামী সন্তান রেখে তার সাথে অভিসার শুরু করে। পরে পলাশ তাকে গ্রাম ও তার স্বামী পিন্টু মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত পলাশ। তাদের মধ্যে দৈহিক সর্ম্পক তৈরি হয় বলে জানান অনশনকারী নারী সদস্য।

তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, পলাশ তাকে গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে। প্রিয়সী জানান গত তিন মাস আগে তার স্বামী পিন্টুকে তালাক দেন। কিন্তু পলাশ স্ত্রীর মর্যাদা দিচ্ছিলেন না।

Share





Related News

Comments are Closed