Main Menu

ছাতকে পৃথক সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৬০

ছাতক প্রতিনিধি : ছাতকে সিগারেট খাওয়া ও ভারতীয় তীর নামক জুয়া খেলার টিকেট কেনা-বেচা নিয়ে পৃথক সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছে। আহত ৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী-চাকলপাড়া ও ভেরাজপুর গ্রামবাসীর মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট সংলগ্ন যাত্রী ছাউনীতে সিগারেট খাওয়া নিয়ে ভেরাজপুর গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র ফাইম ও চাকলপাড় গ্রামের আজমল মিয়ার পুত্র হারুন মিয়ার কথা কাটাকাটি ও হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ লোকজন মধ্যস্থতা করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিছুক্ষন পর উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠি-সোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় আধঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট পরিনত হয় রণক্ষেত্রে।
এ সময় পয়েন্টের ইতি টেলিকম সেন্টার ও মন্তাজ এন্টাপ্রোইজ নামক দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে সংঘর্ষকারীরা। ক্ষতিগ্রস্থ হয় ফুটপাতের ফল, সবজীসহ বিভিন্ন অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। দফায়-দফায় সংঘর্ষে ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পথচারী, ব্যবসায়ীসহ উভয় পক্ষের ৪০ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুত্বর আহত জুবেল মিয়া(২২), আািজর উদ্দিন(২২), জুনাই মিয়া(৫৫) ও রুয়েল মিয়া(২০)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিরহাম উদ্দিন(৩২), ইকবাল হোসেন(৩০), ইসলাম উদ্দিন(২৮), তাজ উদ্দিন(২৫), ইকবাল(১৮), বজলু মিয়া(৩৫), রুবেল (১৮), ফাইম(২০), মোশাইদ আলী(৪৮), শাহীন মিয়া(২৫), খালেদ আহমদ(৩০), নিছাব(২৫), ব্যবসায়ী নজরুল হক (৩৫)সহ অন্যান্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এদিকে, একই সময়ে গোবিন্দগঞ্জ ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় তীর খেলার টুকন কেনা-বেচা নিয়ে গ্রামের জমির আলী ও নুরুল আমিনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলের মুখ থেকে সংঘর্ষ গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে।
খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আ.লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজা, ইমাম উদ্দিন, সামছুল ইসলাম মেম্বার, শ্রমিক নেতা আফতাব উদ্দিন, স্থানীয় আলতাব মিয়া, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মঞ্জুর আলমসহ লোকজনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত মুহিত মিয়া(২৫), লিটম মিয়া(২৫), নুরুল আমি(২৬), রেহানা বেগম(২০)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বদর উদ্দিন(৫৫), জমির হোসেন(৪৫), ওয়ারিছ আলী(৩২), লিমন মিয়া(২৫), সিদ্দিক(৩৫), কামাল মিয়া(৪০), সালমান(২২), আবু বক্কর(২৫), রুহেল(২২), আল-আমিন(২৩), মাহবুব(৩০), লিংকন(১৮)সহ অন্যান্যদেও স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed