বিশ্ব কিডনি দিবস আজ, বাংলাদেশে আক্রান্ত ২ কোটি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আজ ৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিশ্ব কিডনি দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশন, কিডনি ফাউন্ডেশন ও ক্যাম্পস যৌথভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে র্যালি ও আলোচনা সভা। বাংলাদেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। এ বছর বিশ্ব কিডনি দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘কিডনি রোগ ও শিশু, এটি প্রতিরোধে আগেই ব্যবস্থা নিন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে সারাবিশ্বে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব কিডনি দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য হলো- ‘স্থূলতা কিডনি রোগ বাড়ায়, সুষ্ঠু জীবনযাপনে সুস্থ কিডনি।’
বুধবার (৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ।
ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম এসময় জানান, দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশন, কিডনি ফাউন্ডেশন ও ক্যাম্পস যৌথভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে র্যালি, আলোচনা সভা, বিভিন্ন স্কুল ও স্থানে কিডনি স্ক্রিনিং এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি। র্যালিটি সকাল ৯টায় রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আডিইবি) প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে মৎস্য ভবন পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে। এরপর সকাল ১১টায় আইডিইবি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে কিডনি রোগের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকতে হলে অবশ্যই স্থ্থূলতা পরিহার করতে হবে জানিয়ে মুহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, মেদ ভুঁড়িকে না বলতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করলেই স্থ্থূলতা দূর হবে। এজন্য আমাদের জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। এসময় তিনি কিডনি রোগের জন্য দেয়া বরাদ্দ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তা বাড়ানোর দাবিও জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমান বিশ্বে অসংক্রামক ব্যাধিগুলোর মধ্যে কিডনি রোগ অন্যতম। বাংলাদেশে দিন দিন কিডনি রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ২ কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে ভুগছে।
কিডনি রোগ মূলত দুই ধরনের উল্লেখ করে ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম জানান, এই দুটি হচ্ছে আকস্মিক কিডনি রোগ এবং ধীর গতির কিডনি রোগ। ধীর গতির কিডনি রোগের তিনটি প্রধান কারণ হচ্ছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও নেফ্রাইটিস। প্রতি বছর ৪০ হাজার রোগী নতুন করে ধীর গতির কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এসব রোগীদের কিডনি কয়েক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যায় তখন ডায়ালিসিস বা কিডনি সংযোজন ব্যতীত বাঁচার উপায় থাকে না।
সাংবাদিক সম্মেলনে কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, কিডনি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান, বিএসএমএমইউ’র কিডনি বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম সেলিম, স্কয়ার হাসপাতালের কিডনি বিভাগের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ওয়াহাব খান, বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ফিরোজ খান, ক্যাম্পস-এর চেয়ারম্যান এম এ সামাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Related News
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাসRead More
একনেকে অনুমোদন পেল নতুন ১১ প্রকল্প
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নতুন ১১ প্রকল্পসহ মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহীRead More



Comments are Closed