Main Menu

সিলেটে আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলন সমাপ্ত

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটে দুদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলন শুক্রবার রাতে শেষ হয়েছে। দেশ-বিদেশের আলিম-উলামা, পীর-মাশায়িখ, প্রথিতযশা ইসলামী চিন্তাবিদ-শিক্ষাবিদ ও হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উস্তাযুল উলামা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে বরহক হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। বাদ যুহর বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমাজ থেকে সকল পঙ্কিলতা দূর করেছিলেন। তাঁর জীবনই আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। আমাদের নেলসন মেন্ডেলা বা মাদার তেরেসার সংগ্রাম দেখার দরকার নেই। রাসূল (সা.) কি করেছেন তা দেখা করা দরকার। রাসূল (সা.) সমাজের অবহেলিত নিপীড়িত মানুষদের মানবিক অধিকার প্রদান করেছেন। সাদা কালোর ভেদাভেদ দূর করেছেন, দাসদের মানুষ হিসেবে সম্মানিত করেছেন। হাবশী কৃষ্ণাঙ্গ বিলালকে কাবার মুয়াযযিন নির্বাচিত করেছেন। বেলাল (রা.) এর আযাদীর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে দাসত্ব প্রথা এবং বর্ণ প্রথা নিঃশেষ করার জন্য ইসলামের আগমন ঘটেছে। আহলে বায়তের অন্যতম সদস্য হযরত জয়নুল আবেদীন (র.) সহ¯্রাধিক দাসকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন বর্তমান বিশ্বে রাজনৈতিক দাসত্ব প্রথা বাড়ছে। আমার যেন এর অংশ না হই এবং মানুষকে নিষ্পেষন না করি। তিনি বলেন, যাদের থেকে আমরা ইসলাম পেয়েছি তাদের থেকে আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে সরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আর আমলের ক্ষেত্রে সর্বদা রিয়ামুক্ত থাকতে হবে। শয়তান আমাদের আমলে রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে আমলকে বিনষ্ট করতে চায়, রাসূল (সা.)-এর আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে চায়। তাই এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক হতে হবে। লোক দেখানো থেকে যত বেঁচে থাকা যাবে আমল কবুল হওয়ার সম্ভবনা তত বেশি হবে। তিনি যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, হে যুবক! তুমি আসো, সত্যের পথে আসো, আর্তমানবতার পাশে দাঁড়াও, এতিম বিধবার পাশে দাঁড়াও। তাহলেই ঈমানের সত্যিকার স্বাদ অনুভব করবে।
সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সভাপতি মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, যুগ্ম মহাসচিব, মহাসম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ও আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা নজমুল হুদা খানের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সায়্যিদ আল হাবিব উবায়দুল্লাহ আল আত্তাস (মক্কা মুকাররামা), ড. শায়খ নাজী বিন রাশিদ আল আরাবী (বাহরাইন), শায়খ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আল কিত্তানী (মিশর), শায়খ মারওয়ান ইবনে সাদাকাহ ওয়াযযান (মক্কা মুকাররামা), সায়্যিদ আল হাবিব ফয়সল আল কাফ (জেদ্দা), জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এম.এ মোমেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আমিনুল হক ভূঁইয়া, মুফতী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্জ বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, আলহাজ্জ সেলিম উদ্দিন এমপি প্রমুখ। আরবী নাশিদ উপস্থাপন করেন বাহরাইনের শায়খ মুহাম্মদ মুহাম্মদ সাঈদ আল কুহেজী ও শায়খ খালিদ সালিহ আহমদ আল কুহেজী।
এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শায়খুল হাদীস হযরত আল্লামা হবিবুর রহমান, মাওলানা নজমুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, ভারতের উজানডিহির পীর ছাহেব সায়্যিদ মোস্তাক আহমদ আল মাদানী, সায়্যিদ জুনাইদ আহমদ আল মাদানী, সায়্যিদ আল হাবীব আব্দুর রহমান আল কাফ (জেদ্দা), দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক মাওলানা কবি রূহুল আমীন খান, হযরত আব্দুল বাতিন জৌনপুরী (র.)-এর খলীফা মাওলানা আনোয়ারুল্লাহ বাতিনী, দরগাহে শাহজালাল (র.)-এর মোতাওয়াল্লী সরেকওম ফতেহ উল্লাহ আমান, জালালিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা শুয়াইবুর রহমান, মাওলানা শিহাব উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, ইয়াকুবিয়া হিফযুল কুরআন বোর্ডের জেনারেল সেক্রেটারী হাফিয মাওলানা ফখরুদ্দীন চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্জ শফিকুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ.কে.এম মনোওর আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি এডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, মৌলভীবাজার কামিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কবি কালাম আজাদ, আল হারামাইন হসপিটাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্জ ওলিউর রহমান, কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল মতিন, ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুছ, সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা ছালেহ আহমদ প্রমুখ। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবূ নছর জিহাদী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি ফখরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী, সিলেট জেলা আল ইসলাহর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ নুমান, ফেনী ছাগলনাইয়া ইসলামিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হুসাইন আহমদ ভুইয়া প্রমুখ।
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) কুমিল্লা-এর পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, বিশিষ্ট আলিমেদ্বীন ইকড়ছই সিনিয়র মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ছমির উদ্দীন, সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রাক্তন প্রিন্সিপাল মাওলানা শফিকুর রহমান, বাদেদেওরাইল ফুলতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহীম, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ছরওয়ারে জাহান, অর্থ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবূ ছালেহ মুহাম্মদ কুতবুল আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ হাসান চৌধুরী, স্কুল অব এক্সেলেন্স-এর ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরান, ভারতের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আজিজুর রহমান তালুকদার, নোয়াখালী ইসলামিয়া আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফিয মাওলানা ওয়াহিদুল হক, ফেনী বিরিঞ্জি ছুফিয়া নূরিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ইয়াছিন, শহীদ জিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ওয়াজিহ উল্লাহ, ফেনী হরিপুর কামালিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেম, কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা সাইদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শ্রীপুর কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হান্নান, মাওলানা আব্দুল কাদির ছাহেব (ঘোড়াডুম্বুরী), মাথিউউরা সিনিয়র মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবদুল আলিম, জালালপুর জালালিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জ.উ.ম আবদুল মুনঈম, বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হাফিজ মাওলানা নূরুর রহমান, মাওলানা আব্দুল মালিক সূফী ছাহেব, মাওলানা শামসুদ্দীন নূরী, আল ইসলাহ ইউকে নেতা আলহাজ্জ ইসমাইল মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আউলিয়ানগর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক, ফেনী ছাগলনাইয়া ফাযিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা লুকমান হুসেন, ঢাকা গাউছিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইজহারুল ইসলাম, ঘাটিয়ারা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম, ফরাযিকান্দি দরবার শরীফের শাহ সুফি রফিকুল ইসলাম রেফায়ী, দাইয়াবীবী আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ হুসাইন, ফুলতলী ইসলামিক সেন্টার কভেন্ট্রি, ইউকে’র প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল হাসান, ঢাকা জেলা লতিফিয়া কারী সোসাইটির সভাপতি মাওলানা আবূ সাদেক মুহাম্মদ ইকবাল খন্দকার, আলহাজ্জ মকন মিয়া চেয়ারম্যান প্রমুখ।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ফুলতলী ছাহেব আমাকে ভালোবাসতেন, ¯েœহ মমতা করতেন। তিনি ছোট বেলায় আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া করেছেন। এটা আমার পরম সৌভাগ্য। ফুলতলী ছাহেব ইসলামের সঠিক শিক্ষা প্রচার করার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। আজও তাঁর সুযোগ্য সন্তানগণ এ ধারা অব্যহত রেখেছেন। বিশেষ করে বড় ছাহেবজাদার বয়ান ও দু’আ আমি শুনেছি। এ থেকে তাঁর দর্শন ও চিন্তা অনুধাবন করেছি। তিনি মানবতার কথা বলেন। দুনিয়ার সকল মানুষের শান্তি কামনা করেন। তিনি চান যেন কোনো মানুষ বঞ্চিত না হয়, অত্যাচারিত না হয়। তিনি বলেন, কিছু বিভ্রান্ত গোষ্ঠী আমাদের সন্তানদের ভুল পথে পরিচালিত করছে। মানুষ হত্যায় উদ্ধুদ্ধ করছে। বলছে মানুষ মারলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে। এদের কারণে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে। এদের থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
মক্কা মুকাররামার প্রখ্যাত বুযুর্গ সায়্যিদ আল হাবীব উবায়দুল্লাহ আল আত্তাস বিভিন্ন আকীদা ও আমল সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নবী করীম (সা.) নূর। তিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। তিনি কবর শরীফে জীবিত আছেন। অন্যান্য নবীগণও কবরে জীবিত। তিনি বলেন, কবর যিয়ারত শরীআতসম্মত। আমরা মক্কাবাসীগণ প্রতি জুমআবার হযরত খাদিজা (রা.)-এর কবর যিয়ারত করি।
মিশরের শায়খ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আল কিত্তানী বলেন, রাসূল (সা.) সর্বোচ্চ আদব ও সম্মানের অধিকারী। স্বয়ং আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করেছেন। সুফিয়ায়ে কেরাম কিরাম রাসূল (সা.) এর সুমহান মর্যাদা তুলে ধরেন। এ থেকে ওয়াবীরা বলে থাকে সুফীরা নাকি বাড়াবাড়ি করেন। তাদের এ বক্তব্য সঠিক নয়। সুফীগণ কখনো দলীল ছাড়া কোনো কথা বলেন না। তারা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে প্রিয়নবীর সর্বোচ্চ শানকে উপস্থাপন করেন। ওয়াহাবীরা হাদীসের প্রকৃত মর্ম অনুধাবন করতে পারে না বিধায় অপব্যাখ্যা করে। তিনি কাদরিয়া, নকশবন্দিয়া, চিশতিয়া, সোহরাওয়াদিয়া ইত্যাদি সিলসিলা সম্পর্কে বলেন, এ সকল সিলসিলা হক। আল্লামা ফুলতলী (র.) এ সকল সিলসিলারই উত্তরসূরী।
শরীফ মারওয়ান ইবনে সাদাকাহ ওয়াযযান বলেন, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সকল দিক থেকে বৈশিষ্ট্যমÐিত। গুণাবলী, মর্যাদা, আখিরাতে তাঁর অবস্থান ইত্যাদি সবদিক থেকে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি সর্বদা তাঁর উম্মতের বিষয়কে অগ্রাধিকার দেন। তিনি কিয়ামতের দিন উম্মতের জন্য সুপারিশ করবেন। তাঁর জীবনের কোনো মূহুর্ত অহেতুক ছিল না। তিনি প্রতিটি মূহুর্ত আল্লাহর তাফাক্কুর, যিকর ও ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাতেন। তাঁর জীবন আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
জেদ্দার প্রখ্যাত দাঈ সায়্যিদ আল হাবীব ফয়সল আল কাফ বলেন, আল্লাহর রাসূল (সা.) সৃষ্টির মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর ছিলেন। তাঁর সৌন্দর্যের কাছে সকল কিছু ¤øান হয়ে গিয়েছিল। রাসূল (সা.)-এর সংশ্লিষ্ট সকল কিছু মুবারক এবং শিফা। তাঁর শরীর ছিল সৃষ্টিগতভাবে সুগন্ধিযুক্ত। উম্মে সুলাইম (রা.) তাঁর ঘাম মুবারক সংগ্রহ করে রেখেছিলেন। উম্মে সালামা (রা.)-এর নিকট রাসূল (সা.)-এর জামা মুবারক ছিল। তিনি তা ধুইয়ে অসুস্থ ব্যক্তিকে পান করাতেন। যার ফলে রোগী সুস্থতা লাভ করত।
সম্মেলন শেষে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা ও আমল সম্পর্কে এক একটি সম্মিলিত ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করেন মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। সর্বসম্মত এ ঘোষণার আরবী আরবী উপস্থাপন করেন মিশরের শায়খ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আল কিত্তানী।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code