Main Menu

অসুস্থ আতিকুরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তিন প্রবাসী

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি : বিশ্বনাথে স্বামীর জন্য কিডনী দান করে চমৎকার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী পল্লীগাঁয়ের গৃহবধু বিলকিছ বেগম অবশেষে প্রানপ্রিয় স্বামীর চিকিৎসার জন্য হৃদয়বানদের হৃদয় জয় করে প্রয়োজনীয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার প্রতিশ্রতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছেন। আর তাতে ভালবাসারই জয় হল। প্রমান হল ক্ষনিকের এই পৃথিবীতে মানুষ মানুষেরই জন্য।
বিশ্বনাথের ৪ সন্তানের জননী বিলকিছ বেগম নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে আপন স্বামীকে বাঁচাতে দিয়েছিলেন নিজের দেহ থেকে একটি কিডনী। কিন্তু সেই কিডনীতে ভাইরাস জনিত কারনে সমস্যা দেখা দেয়ায় নতুন করে জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই সংবাদটি গত সোমবার সিলেটের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর সাড়া দিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী দাদু ভাই ছইল মিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা দানশীল ব্যক্তিত্ব ও ব্যক্তি উদ্যোগ সমাজসেবা ও আর্তমানবতার সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী বিশ্বনাথের কৃতিসন্তান মোহাম্মদ ছইল মিয়া ৫০ হাজার টাকা প্রদানের প্রতিশ্রতি দেন। এরপর যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সিলেটের ওসমানীনগরের কৃতিসন্তান বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর দুই কিশোর পুত্র রায়হানুজ্জামান চৌধুরী ও রুমানুজ্জামান চৌধুরী আতিকুর রহমানে চিকিৎসার বাকী সব খরচ বহন করার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে আতিকুর রহমান চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এমনটাই জানান তার স্ত্রী বিলকিছ বেগম।
প্রসঙ্গত, বিশ্বনাথের এক গৃহবধু নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে স্বামীকে বাঁচাতে দিয়েছেন নিজের দেহ থেকে একটি কিডনী। বর্তমানে সেই কিডনীতে ভাইরাস জনিত কারনে সমস্যা দেখা দেয়ায় নতুন করে জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। কিন্তু তাদের হাতে নেই একটি টাকাও। অথচ মাত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ব্যবস্থা হলে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে স্বামীকে বেচে থাকার জন্য স্ত্রীর দেয়া সেই কিডনীটি আবার সচল হবে। আর তাতে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাবে একটি প্রাণ এবং হাসি আনন্দ ফিরে আসবে গোটা একটি পরিবারে। অসুস্থ আতিকুর রহমান উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ঘাসিগাঁও গ্রামের মৃত আফরুজ আলীর পুত্র।

Share





Related News

Comments are Closed