Main Menu

‘গুলশানে জিম্মিদের বাঁচার আকুতি’

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মিদের মধ্যে রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মালিহা। জিম্মি হওয়ার পরপরই তিনি তার বাবার কাছে ফোন করে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন।

শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে জিম্মি মালিহার বাবা বোরহান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মেয়ে আমাকে ফোন করে বলে, বাবা আমরা বিপদে, আমাদের বাঁচাও। এরপরই তিনি বাসা থেকে নেমে রাস্তায় চলে আসেন। তাদের বাসা রেস্টুরেন্টের অপর পাশেই বলে জানান তিনি। এ সময় পাশে থাকা মালিহার মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মালিহার বাবা বোরহান বলেন, বিকেলের দিকে মালিহা তার ৪/৫ জন বান্ধবীকে নিয়ে ওই রেস্টুরেন্টে খেতে যায়। ফোনে মালিহা জানিয়েছে ভেতরে অস্ত্রধারীরা সবাইকে জিম্মি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে ভেতরে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না তা মালিহা জানাতে পারেননি।

অন্যদিকে রেস্তোরাঁয় জিম্মি হয়ে থাকা একজন তার চাচাকে মোবাইলে বলেছেন, ‘ওরা আমাদের জিম্মি করে রাখছে।’
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১০ জন যুবক অতর্কিতে ঢুকে পড়ে কয়েকজনকে জিম্মি করেছে। জিম্মি হয়ে পড়াদের মধ্যে আনুমানিক ২০ জনই বিদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই বেকারির সুপারভাইজার সুমন রেজা। আজ শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থাল থেকে আনোয়রুল করিম নামে একজন দাবি করেন, তার ভাতিজা প্রকৌশলী হাসনাত করিম, হাসনাতের স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়েকে রেস্তোরাঁটিতে জিম্মি হয়ে আছেন। তিনি বলেন, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে তার সঙ্গে হাসনাতের মোবাইলে প্রথম কথা হয়। সে সময় ভেতর থেকে হাসনাত ‘আছি কোনো রকমে আছি’ বলেই ফোন কেটে দেয়।

এরপর ১০টা ৪১ মিনিটি দ্বিতীয়বার কথা হয়। এ সময় হাসনাত মোবাইলে চাচা আনোয়ারুল করিমকে বলেন, ‘ওরা আমাদের জিম্মি করে রাখছে। আশেপাশে পুলিশ থাকলে বল গুলি না চালাতে। গুলি চালালে আমাদের মেরে ফেলবে।’ এরপর ১১টা থেকে আর হাসনাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে আনোয়ারুল জানান। সূত্র: বিডিলাইভ২৪

Share





Related News

Comments are Closed