Main Menu

সিলেটে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পৃথক অবস্থান কর্মসুচী পালন

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ইসলামী ব্যাংকের অবৈধ চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসরদের বয়কট এবং গ্রাহকদের উপর নির্মম পুলিশী হামলার প্রতিবাদে সিলেটে পৃথক মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

সোমবার (৮ জুন) সকালে সিলেট নগরীর ইসলামী ব্যাংক তালতলা, জিন্দাবাজার, লালদিঘীরপাড়, আম্বরখানা, দক্ষিণ সুরমা, শাহপরান ও শিবগঞ্জ শাখার সামনে পৃথক অবস্থান কর্মসুচী পালন করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম সিলেট। এছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা-উপশাখার সামনে সচেতন গ্রাহকদের সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসুচী পালিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক অংশ নেন। এসময় গ্রাহক ফোরামের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন শাখায় ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারীগণ ১ ঘন্টা কলম বিরতি পালন করেন এবং উপস্থিত গ্রাহকগণ এই সময় সেবাগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন।

Manual6 Ad Code

নগরীর জিন্দাবাজার ব্রাঞ্চের সামনে ব্যাংকের গ্রাহক বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ারের সভাপতিত্বে ও হাফিজ মাও. জিল্লুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান।

দক্ষিণ সুরমা ব্রাঞ্চের সামনে ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান কবির রিপনের সভাপতিত্বে ও জাফর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক গ্রাহক অংশ নেন।

তালতলায় ইসলামী ব্যাংক অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বারের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট আব্দুল খালিক।

Manual4 Ad Code

লালদিঘীরপাড় ব্রাঞ্চের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বারের আইনজীবী এডভোকেট ইয়াসীন খান।

আম্বরখানা ব্রাঞ্চের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ইসলাম উদ্দিন ও মাওলানা জুনাইদ আল হাবীব।

শিবগঞ্জ ব্রাঞ্চের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিসিক কাউন্সিলার সোহেল আহমদ রিপন ও শাহেদ আলী।

শাহপরান ব্রাঞ্চের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও মাওলানা সাইফুল ইসলাম।

পৃথক কর্মসূচীতে বক্তাগণ বলেন, ইসলামী ব্যাংক এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের রক্ত ও ঘামের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক। দেশে-বিদেশের কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক ব্যাংকটিকে ধ্বংস করতে দেয়া হবেনা। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ব্যাংকটি থেকে প্রতিষ্ঠাতা ও মুল উদ্যোক্তাদের সরিয়ে কতিপয় লুটপাটকারীদের হাতে তুলে দিয়েছিল। যার ফলে ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় এবং লুটপাট হয়। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালিন সরকার ব্যাংকটি রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আবারো ব্যাংকটিকে লুটেরাদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তারা পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ও দেশের ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের অন্যতম মূলহোতা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক বরখাস্তকৃত সাবেক ডেপুটী গভর্ণর খুরশীদ আলমকে দিয়ে রাতের আধারে ব্যাংক দখলের ষড়যন্ত্র করছে। একদিকে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে গ্রাহক তার জমানো টাকা তুলতে পারছেনা। এদিকে সরকারের কোন উদ্যোগ নেই। তারা ইসলামী ব্যাংককে লুটপাটের মাধ্যমে আবারও দেশের ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের দিকে হাটছে। গ্রাহকদের নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে হামলার ফল ভালো হবেনা। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে সচেতন গ্রাহকরা ঘরে বসে থাকবেনা। ইতোমধ্যে আস্থাহীনতার কারণে সাধারণ গ্রাহক নিজেদের আমানত তুলে নিচ্ছেন। যা ব্যাংকটি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের সুচনা। অবিলম্বে ফ্যাসিবাদের দোসর চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে অপসারণ এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code