সিলেট বাস টার্মিনালে সংঘর্ষে শ্রমিকের মৃত্যু, ২৯ জনের নামে মামলা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কদমতলিতে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় সংঘর্ষে আহত শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত রিপন আহমদ (৩০)-এর বাবা গোলাপগঞ্জ উপজেলার রণকেলী উত্তর গ্রামের ছাবলু মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মইনুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেতা ও শ্রমিক ইউনিয়নের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন (৩৬)-সহ ২৯ নামের উল্লেখ করা হয়েছে মামলার এজাহারে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে।
মঙ্গলবার (৬ মে) মামলাটি দায়ের করা হয়।
অন্য আসামিরা হলেন- দক্ষিণ সুরমা থানার আহমদপুরের আছাব আলীর ছেলে মিলাদ আহমদ রিয়াজ (৪২), মোগলাবাজার থানার সুলতানপুর গ্রামের মৃত করিম মিয়ার ছেলে রিয়াজ মিয়া (৬৫),দক্ষিণ সুরমা আহমদপুর গ্রামের ইলিয়াছ আলী (৪৬), সিলামের রজাক আলীর ছেলে আব্দুস সহিদ (৪২), জকিগঞ্জের কেছরি গ্রামের মৃত নেছার আলীর ছেলে সামছুল হক মানিক (৫৬), দক্ষিণ সুরমা ঝালোপাড়ার হাসিমুখ আলীর ছেলে তাজ উদ্দিন তায়েছ (৪৫), মোগলাবাজারের সুলতানপুরের করিম আলীর ছেলে তাহির আলী(৫০), হবিগঞ্জের দরিয়াপুর গ্রামের আক্তার আলীর ছেলে আলী আহমদ তপু (৫২), দক্ষিণ সুরমা গোটাটিকর এলাকার সজিবুর রহমানের ছেলে ফারুক আহমদ রাজা (৩৮), ভার্থখলার আপিল উদ্দিন মস্তানের ছেলে জিতু মিয়া (৪৬), কদমতলী শতাব্দী বিল্ডিং এর বাসিন্দা মৃত ফুল মিয়ার ছেলে ধনু মিয়া (৪৫), কৃতিপুরের জহির আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম মনির (৪৫), বিশ্বনাথের রজবপুরের আওলাদ আলীর ছেলে ইবন মিয়া (৪৫), দক্ষিণ সুরমা রশিদপুরের সোনাফর আলীর ছেলে ছনু মিয়া (৪৫), আহমদপুরের রমজান আলীর ছেলে সমসর আলী (৪৭), শাহপরাণ (রহ.) থানার আব্দুল জলিলের ছেলে কামাল মিয়া (৪৮), ছাদেক আহমদ (৩৫), দক্ষিণ সুরমার ঝালোপাড়ার হাসিম আলীর ছেলে সাজ উদ্দিন (৪৫), লালাবাজারের নুর মিয়া উরফে সাপুড়িয়া (৬০), আহমদপুর (শমসের এর বাড়ীর মাছুম আহমদ (৪০), বিয়ানীবাজারের এতিমখানি গ্রামের মৃত মতু মিয়ার ছেলে আব্দুল বাছিত বাছা (৫৫), বিশ্বনাথ বৈরাগিবাজার নদার গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে জুবেল আহমদ (৩৮), আলী হোসেনের ছেলে দেলওয়ার হোসেন (৪০), কারিকোনা গ্রামের তেরাব আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (৪৮), বৈরাগিবাজার মোতারাই পাড়ার মকবুল হোসেনের ছেলে নাছির আহমদ (৪৬), দক্ষিণ সুরমা রশিদপুরের সুনু মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া (৬০), পিতা-মৃত সুনু মিয়া, সাং- রশিদপুর, থানা- দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথের রজাকপুর গ্রামের আওলাদ আলীর ছেলে শামীম আহমদ (৪০)।
গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাস ও টিকিট কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও শুরুতে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। পরে বিকেল চারটার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
জানা গেছে, সিলেট-জগন্নাথপুর রুটের এক শ্রমিক নেতার মৃত্যুর পর গঠিত আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এ মারামারি।
এদিকে, সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত রিপন আহমদ এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার (২ মে) বেলা সোয়া ১১টার দিকে মারা যান। তিনি পেশায় মাইক্রোবাস গাড়ির চালকের সহকারী (হেল্পার) ছিলেন।
Related News
শিক্ষা-স্বাস্হ্য-কৃষিসহ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াও : বাসদ
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ধনী তোষণের বাজেট নয় জনকল্যাণমুখী বাজেট, শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষিসহ সামাজিক সুরক্ষাRead More
মরহুম ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক স্মরণে স্মৃতি ফলক উন্মোচন
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্ঠা, ন্যাশনালRead More



Comments are Closed