Main Menu

সিলেটে হনুমানজয়ন্তী মহোৎসবে সর্ববৃহৎ প্রতিমা দেখতে ভক্তবৃন্দের ঢল

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দাড়িয়াপাড়া এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী মদনগোপাল জিউর আখড়া প্রাঙ্গণে আজ ১ এপ্রিল (বুধবার) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৩ ফুট উচ্চতার সর্ববৃহৎ হনুমানজির পূজা ও মহোৎসব। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তবৃন্দের ঢল শুরু হয়েছে, যা পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

Manual7 Ad Code

প্রাঙ্গণটি ইতিমধ্যেই ভক্তি, ধর্মীয় আবেগ এবং আধ্যাত্মিক অনুভূতিতে পূর্ণ। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি তরুণ, বৃদ্ধ, শিশু- সকলেই উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন। সকাল ৯টায় মঙ্গলঘট স্থাপন ও পূজারম্ভ হয়েছে, ১০টায় অঞ্জলি প্রদান করা হয়েছে। দিনভর ভক্তিমূলক সংগীত, গীতা পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুপুর দেড়টায় মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং সন্ধ্যায় ভক্তিমূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিমাটি নির্মাণ করেছেন খ্যাতনামা প্রতিমা শিল্পী দুলাল পাল। তাঁর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ‘বল্লভ নারায়ণ মৃৎ শিল্পালয়’ প্রায় ৩৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বংশপরম্পরায় প্রতিমা নির্মাণ করে আসছে। প্রতিমার নান্দনিকতা, শিল্পের সূক্ষ্মতা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ভক্তদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিশাল আকারের প্রতিমা শুধু ভিজ্যুয়ালি নয়, বরং ধর্মীয় অর্থ ও ভাবগাম্ভীর্যের দিক থেকেও অনন্য। হাতে গদা, দৃঢ় দেহভঙ্গি এবং ভক্তিমূলক অভিব্যক্তি প্রতিমাটিকে জীবন্ত করে তুলেছে।

Manual5 Ad Code

হনুমানজি রামায়ণে শক্তি, বুদ্ধি, সাহস ও নিঃস্বার্থ ভক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। তাঁর লঙ্কা যাত্রা, অগ্নিসংযোগ এবং বিভিন্ন মহাকাব্যিক দুঃসাহসিক কীর্তি ভক্তদের হৃদয়ে আজও প্রেরণার উৎস। বাংলার গ্রামীণ মন্দির, কীর্তন, যাত্রাপালা এবং রামায়ণভিত্তিক পালাগানে হনুমান চরিত্রটি শক্তি ও ভক্তির প্রতীক হিসেবে বিশেষ স্থান পেয়েছে।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code