Main Menu

ফ্লোটিলা থেকে ২ শতাধিক কর্মীকে বন্দি করল ইসরায়েল

Manual3 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজ বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ ১৩টি নৌযান আটক করেছে ইসরাইল।  এ ছাড়া নৌযানগুলোতে থাকা ৩৭ দেশের ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করেছে দখলদার বাহিনী। সংগঠনটির মুখপাত্র সাইফ আবুকেশেক ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, সমুদ্রে ১৩টি নৌযান আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

আবুকেশেক বলেন, আটক হওয়া নৌযানগুলোতে ৩৭ দেশের ২০১ জন কর্মী ছিলেন। এর মধ্যে স্পেন থেকে ৩০ জন, ইতালি থেকে ২২, তুরস্ক থেকে ২১ এবং মালয়েশিয়া থেকে ১২ জন অংশ নেন।

Manual4 Ad Code

বাংলাদেশের শহিদুল আলম নামের এক ফটোগ্রাফার ছাড়াও সুমুদ ফ্লোটিলায় রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক রুহি আক্তার রুহিও।

Manual5 Ad Code

আবু কেশেক জানান, আটক ও  নৌযান ঘেরাও-এর পরও তাদের মিশন থেমে নেই।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, এখনও প্রায় ৩০টি নৌকা ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে গাজার উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। দখলদার বাহিনীর সামরিক জাহাজগুলোর বাধা ঠেকিয়ে এগিয়ে চলেছেন তারা। গাজায় অবরোধ ভাঙতে ভোরের মধ্যেই পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

Manual1 Ad Code

ফ্লোটিলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থানবার্গকেও গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এদিকে ফ্লোটিলার পথরোধের প্রতিবাদে ইতালিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশটির বৃহত্তম শ্রমিক সংগঠন।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সমুদ্রপথে গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার একটি বৈশ্বিক প্রচেষ্টা। এই নৌবহরে রয়েছে ৪০টির বেশি বেসামরিক নৌযান। এই বহরে প্রায় ৪৪টি দেশের ৫০০ মানুষের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, আইনজীবী, অধিকারকর্মী, চিকিৎসক ও সাংবাদিক।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রথম বহর গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করে। এরপর ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর তিউনিসিয়া ও ইতালির সিসিলি দ্বীপ থেকে আরও নৌযান এই বহরে যুক্ত হয়। এ ছাড়া গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকে পরবর্তী সময়ে আরও কিছু নৌযান ত্রাণ নিয়ে বহরে যুক্ত হয়। বর্তমানে বহরটিতে ৪০টি বেশি নৌযান রয়েছে।

এর আগে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো ফ্লোটিলাকে বাধাহীনভাবে অগ্রসর হতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ইসরায়েল জানায়, গাজাগামী এই নৌযানগুলো ‘আইনসম্মত নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছে।’ তবে আন্তর্জাতিক আইনে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর অধিকার রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নিরাপত্তার জন্য ফ্লোটিলার পক্ষ থেকে যাত্রাপথ সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারও করা হচ্ছে।

এ ঘটনার পর আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা গাজাগামী এই সহায়তা নৌযান আটক ও কর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানায়।

বার্তা সংস্থা এপি জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসের নির্বাচিত আইনপ্রণেতা সেলেস্ট ফিয়েরো, যিনি ‘আদারা’ নামের নৌযানে ছিলেন। স্থানীয় নেতা সার্জিও গার্সিয়া বলেন, আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে দ্রুত সেলেস্টকে মুক্ত করা হয়। আমরা এখানে তার পাশে থাকতে চাই, তাকে আলিঙ্গন করে গর্ব প্রকাশ করতে চাই।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code