Main Menu

“কুয়েতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি”

প্রবাস ডেস্ক: কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রম আইন ও সামাজিক আচরণসংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম মিনিস্টার মোহাম্মদ আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কর্মস্থলে বকেয়া বেতন বা অন্য কোনো সমস্যা হলে কুয়েতের Public Authority for Manpower বা Department of Domestic Labour-এ অভিযোগ দাখিলের সুযোগ রয়েছে। ধর্মঘট বা বিনা অনুমতিতে কাজে অনুপস্থিত থাকলে আইন অনুযায়ী “Absconding Case” দায়ের করে কর্মীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি ও ইকামা বাতিল করা হতে পারে।

ইকামায় নির্ধারিত কর্মস্থলের বাইরে কাজ করাও সম্পূর্ণ অবৈধ। আইন না জানার কারণে অনেকেই অধিক আয়ের আশায় অন্যত্র কাজ করে, যা গ্রেপ্তার ও চূড়ান্তভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর কারণ হতে পারে। এ ছাড়া ভিসা ক্রয়-বিক্রয়, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় প্রদান এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেন সবই দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কর্মস্থলে যোগদানের আগে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর ও কপি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

আকামা নবায়ন, ছুটি গ্রহণ বা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অর্থ পরিশোধে অবশ্যই রসিদ বা উপযুক্ত প্রমাণ রাখতে হবে।

কুয়েতে ভিক্ষাবৃত্তি, রাস্তা থেকে মালামাল সংগ্রহ ও বিক্রয় এবং অন্যের কাছে অর্থ সাহায্য চাওয়াকে গর্হিত আচরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে লাইসেন্স, কাগজপত্র, সিটবেল্ট, গতিসীমা ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অর্থ ও এটিএম জালিয়াতি, মাদক পরিবহন ও বিক্রয়সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত না হওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed