সিলেটে মালিক শ্রমিকদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের পাথর কোয়ারি খোলে দেয়া সহ ৬ দফা দাবিতে সিলেট জেলায় পরিবহন শ্রমিকদের লাগাতার ‘পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১ টার দিকে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ বাস-মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম এই ঘোষনা দেন।
এ এসময় তিনি বলেন , ‘আমরা ৬ দফা দাবি নিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলাম যা এখনো চলমান আছে। কেন্দ্রীয় সংগঠনগুলোর সুপারিশে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের আশ্বাসে পরীক্ষার্থী ও বিদেশ যাত্রীদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করছি। তিনি বলেন, যেহেতু বেলা ৩ টায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে বৈঠক রয়েছে তাই স্থগিত করা হলো।’
তিনি বলেন, পরবর্তী কর্মসূচী সভা’র পর জানানো হবে ।
সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস, কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহসাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব মিয়া বলেন বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ প্রশাসন ও সিলেটের রাজনৈতক নেতৃবৃন্দের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস পেয়েছি। বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে বিকেল ৩টায় বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত হবে।
এর আগে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ গণমাধ্যমকে জানান, ‘পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ অবস্থায় বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। আজকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।‘
প্রসঙ্গত, পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া ও সিলেটের জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবিসহ ৬ দফা দাবিতে পরিবহন মালিক শ্রমিকরা মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন। এই কর্ম বিরতির ফলে রাস্তায় কোন ইঞ্জিন চালিত গণপরিবহন ছিল না। তাই কার্যত সড়ক যোগসযোগ অচল হয়ে পড়ে।
রিবহন মালিক-শ্রমিকদের ৬ দফা দাবিগুলো হচ্ছে, সড়ক পরিবহণ আইন ২-১৮ এর ৩৬ ধারা প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বাস মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২০, ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যানের ক্ষেত্রে ১৫ ও সিএনজি ইমা ও লেগুনার ক্ষেত্রে ১৫ বছর ইকোনোমিক লাইফ নির্ধারণ করার প্রজ্ঞাপন বাতিল, সিলেটের সব পাথর কোয়ারির ইজারা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও সনাতন পদ্ধতিতে বালু মহাল এবং পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া, বিআরটিএ কর্তৃক গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বাতিল ও গণপরিবহণের উপর আরোপিত বর্ধিত ট্যাক্স প্রত্যাহার, সিলেটের সব ক্রাশার মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ বন্ধ, বিদ্যুতের মিটার ফেরত ও ভাংচুরকৃত মিলের ক্ষতিপূরণ এবং গাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া পাথর-বালুর ক্ষতিপূরণ, সিলেটের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার এবং বালু পাথরসহ পণ্যবাহি গাড়ির চালকদের হয়রানি না করা।
Related News
শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘শান্তি শোভাযাত্রা’
Manual1 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন,Read More
সিলেটে হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের ট্রাভেল এজেন্সি সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেসের উদ্যোগে হজ্জ প্রশিক্ষণRead More



Comments are Closed